📌 বিএনপি তাদের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের মধ্যেই সপ্তম জাতীয় কাউন্সিলের প্রস্তুতি শুরু করেছে। দলটির নেতৃত্ব পুনর্গঠন ও মহাসচিব পদ নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। চলতি বছরেই কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও সময়সূচি নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা
গতকাল ১ সেপ্টেম্বর বিএনপি তাদের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে। দলটির সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রয়াণের পর এটি ছিল দলটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা ছাপিয়ে দলটির ভেতরে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে প্রায় এক দশক ধরে স্থগিত থাকা সপ্তম জাতীয় কাউন্সিল। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরেই জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সময়সূচি নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিএনপির সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ
- 📌 দলটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পরপর কাউন্সিল হওয়ার কথা থাকলেও রাজনৈতিক প্রতিকূলতার কারণে তা সম্ভব হয়নি
- 📌 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, খুব তাড়াতাড়িই জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে
- 📌 মহাসচিব পদে আলোচনায় রয়েছেন রিজভী ছাড়াও সালাহউদ্দিন আহমদ, এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি
- 📌 দলটির গঠনতন্ত্রের বহুল আলোচিত 'সাত ধারা' পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা রয়েছে
📰 বিস্তারিত
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত পাঁচ দিনের কর্মসূচির মধ্যেই দলটির ভেতরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে সপ্তম জাতীয় কাউন্সিল। দলটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পরপর জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও রাজনৈতিক প্রতিকূলতার কারণে বিএনপি তা করতে পারেনি। সর্বশেষ ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ দলটির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রথম আলোকে বলেন, খুব তাড়াতাড়িই জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। তবে দিন-তারিখ এখনো নির্দিষ্ট হয়নি। দলটির নেতৃত্ব পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে তৃণমূল সংগঠনগুলোকে গুছিয়ে নেওয়া হচ্ছে। যেসব জেলায় আংশিক কমিটি রয়েছে, সেগুলোকে পূর্ণাঙ্গ করা হবে। মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিতে আহ্বায়ক কমিটি দেওয়া হবে। আর যেসব জেলায় আহ্বায়ক কমিটি রয়েছে, সেগুলোয় কাউন্সিল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
গঠনতন্ত্র সংশোধনের বিষয়টি নিয়ে দলটির ভেতরে আলোচনা রয়েছে। দলটির বহুল আলোচিত 'সাত ধারা' পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা রয়েছে। ধারাটিতে নির্দিষ্ট কয়েক শ্রেণির ব্যক্তিকে দলের সদস্যপদ লাভ কিংবা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য বিবেচনার বিধান ছিল। ২০১৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে গঠনতন্ত্র সংশোধনের সময় ধারাটি বাদ দেওয়া হয়েছিল।
"কাউন্সিলের আগে তৃণমূল সংগঠন গুছিয়ে নিতে চায় বিএনপি। যেসব জেলায় আংশিক কমিটি রয়েছে, সেগুলো পূর্ণাঙ্গ করা হবে। মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিতে আহ্বায়ক কমিটি দেওয়া হবে। আর যেসব জেলায় আহ্বায়ক কমিটি রয়েছে, সেগুলোয় কাউন্সিল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।"
মহাসচিব পদে আলোচনায় রয়েছেন রুহুল কবির রিজভী ছাড়াও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং যুগ্ম মহাসচিব ও পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিবের শূন্য পদটি পূরণ করা হতে পারে। এ পদে যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল ও শহীদ উদ্দীন চৌধুরীর পাশাপাশি ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম বকুলের নামও আলোচনায় রয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুহুল কবির রিজভী, সালাহউদ্দিন আহমদ, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৮ (প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী), ১৯ (মার্চ ২০১৬)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!