📌 বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সাংস্কৃতিক আধিপত্যবাদ প্রতিরোধের একমাত্র উপায় হলো নিজস্ব সংস্কৃতির বিকাশ। তিনি বলেছেন, রাসূল (সা.)-এর জীবনে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম রাজনৈতিক কার্যক্রমের চেয়ে বেশি ছিল
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সাংস্কৃতিক আধিপত্যবাদ প্রতিরোধের জন্য সাংস্কৃতিক উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ ছাড়া অপসংস্কৃতির আধিপত্য প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে ‘দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ’ আয়োজিত নাতে রাসূল (সা.) ও কাওয়ালী সন্ধ্যায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সাংস্কৃতিক আধিপত্যবাদ প্রতিরোধের একমাত্র উপায় হলো নিজস্ব সংস্কৃতির বিকাশ ও লালন
- 📌 তিনি ঘোষণা দেন যে, নাতে রাসূল (সা.) প্রতিযোগিতার তিন গ্রুপের বিজয়ীদের পবিত্র কাবা ঘরে ওমরাহ করাবেন
- 📌 রাসূল (সা.)-এর জীবনে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম রাজনৈতিক কার্যক্রমের চেয়ে বেশি ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি
- 📌 অনুষ্ঠানে ‘নাতে রাসূল (সা.) প্রতিযোগিতা’, ‘নাত ও কাওয়ালী সন্ধ্যা’, সিরাতগ্রন্থ প্রদর্শনী, চিত্রাঙ্কন ও হাদিস ক্যালিগ্রাফি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়
- 📌 বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, লেখক আবুল আসাদ, ব্যারিস্টার নজিবুর রহমান ও কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সাদ্দামসহ দেশবরেণ্য ব্যক্তিবর্গ
📰 বিস্তারিত
বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশে আমরা কিছু ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়েছি। এ কারণে অপসংস্কৃতি আমাদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেছে। তিনি বলেন, ‘কারচারাল অ্যাগ্রেশন’ বা সাংস্কৃতিক আধিপত্যবাদ প্রতিরোধের একমাত্র উপায় হলো সাংস্কৃতিক উদ্যোগের মাধ্যমে। তিনি বলেন, “রাসূলের (সা.) পুরো জীবনের দিকে যদি আমরা নজর দেই, তাহলে দেখবো তার পুরো জীবনে রাজনৈতিক কার্যক্রমের চেয়ে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বেশি। কারণ একটি সুন্দর গানও মানুষের অন্তরে ঈমানের নূর জ্বালিয়ে দিতে পারে, অন্তরকে তরতাজা করতে পারে।”
বক্তৃতা শেষে তিনি বিজয়ীদের প্রতি মহান আল্লাহর কাছে তাদের সমৃদ্ধি কামনা করেন। অনুষ্ঠানে ‘নাতে রাসূল (সা.) প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ, নাত ও কাওয়ালী সন্ধ্যা, সিরাতগ্রন্থ প্রদর্শনী, চিত্রাঙ্কন ও হাদিস ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শনী এবং হাদিস ক্যালিগ্রাফি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক ও সমাজসেবক অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, লেখক ও সম্পাদক আবুল আসাদ, বিশিষ্ট সমাজসেবক নুরুল ইসলাম বুলবুল, ব্যারিস্টার নজিবুর রহমান, অধ্যাপক মোক্তার আলী, কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সাদ্দামসহ দেশবরেণ্য গুণীজন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি সাইফুল্লাহ মানছুর।
"রাসূলের (সা.) পুরো জীবনের দিকে যদি আমরা নজর দেই, তাহলে দেখবো তার পুরো জীবনে রাজনৈতিক কার্যক্রমের চেয়ে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বেশি। কারণ একটি সুন্দর গানও মানুষের অন্তরে ঈমানের নূর জ্বালিয়ে দিতে পারে, অন্তরকে তরতাজা করতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. শফিকুর রহমান (জামায়াত আমির)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ সেপ্টেম্বর (অনুষ্ঠানের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!