📌 মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন সিরাতুন নবী সম্মেলনে বলেছেন, বিএনপি ১৭ বছর ধরে আদর্শগত আন্দোলন করেছে, চাঁদাবাজি বা অবৈধ কার্যকলাপের জন্য নয়। তিনি মোদি বিরোধী আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার কথা তুলে ধরেন এবং বর্তমান সরকারের নির্বাচিত মর্যাদা ও ঐক্যের গুরুত্ব জোরালোভাবে বলেন
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন সিরাতুন নবী সম্মেলনে বিএনপির আদর্শগত আন্দোলনের কথা জোরালোভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেছেন, বিএনপি ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষের অধিকার ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের পক্ষে আন্দোলন করেছে, চাঁদাবাজি বা অবৈধ কার্যকলাপের জন্য নয়। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেটে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে তিনি বিএনপির আন্দোলনের মূল ভিত্তি হিসেবে গণতন্ত্র ও জাতীয় স্বার্থের কথা উল্লেখ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিএনপি ১৭ বছর ধরে আদর্শগত আন্দোলন করেছে, চাঁদাবাজি বা অবৈধ কার্যকলাপের জন্য নয় — মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন
- 📌 মোদি বিরোধী আন্দোলনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চট্টগ্রামে আলেম ওলামা ও শিক্ষার্থীদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল — তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার জন্য
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ইশরাক হোসেনের পীর হামিদুর রহমানের চার ছেলেকে গ্রেফতার করা হয়, তার নিজেও রক্তাক্ত হন
- 📌 বর্তমান সরকার নির্বাচিত হওয়ায় বিরোধী দলের কিছু কর্মসূচি জনগণের কাছে বোধগম্য নয় — লং মার্চের নামে জ্বালানি অপচয় ও পিকনিক পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে
- 📌 বিএনপি ১২ জানুয়ারির নির্বাচনে জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসার পর ধৈর্য ও সংযমের সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে — প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী
📰 বিস্তারিত
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন সিরাতুন নবী সম্মেলনে বিএনপির আন্দোলনের ইতিহাস ও বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেন। তিনি বলেন, বিএনপি ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষের অধিকার ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের পক্ষে আন্দোলন করেছে। চাঁদাবাজি, লুটপাট, ফুটপাত দখল বা অবৈধ অস্ত্রধারীদের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য তারা কখনো আন্দোলন করেনি। তিনি উল্লেখ করেন, বিগত ১৭ বছরে হেফাজতে ইসলামের ওপর যে নির্যাতন হয়েছে, তা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই। তবে মোদি বিরোধী আন্দোলনের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চট্টগ্রামে আলেম ওলামা ও মাদরাসার শিক্ষার্থীদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। তাদের অপরাধ ছিল গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার জন্য প্রতিবাদ করা।
ইশরাক হোসেন তার নিজের এক পরামর্শদাতা পীর হামিদুর রহমানের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, মোদি বিরোধী আন্দোলনের সময় তার চার ছেলেকে একসঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং তাকে রক্তাক্ত করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ওই সময় তিনি রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ফোন করে করণীয় জানতে চেয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী সর্বাত্মক সহযোগিতা করার এবং আন্দোলন ও চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সব বিষয়ে তাদের পাশে থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
বর্তমান সরকারের নির্বাচিত মর্যাদা ও ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে ইশরাক হোসেন বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন মত, ধর্ম ও পথের মানুষ পাশাপাশি বসবাস করেন। গণতন্ত্রে মতপার্থক্য থাকবেই, তবে দেশপ্রেম ও জাতীয় স্বার্থের জায়গায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি বিরোধী দলের কিছু কর্মসূচির সমালোচনা করে বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত বিরোধী দলকে সম্মান জানাতে হবে। তবে তাদের কিছু কর্মসূচি জনগণের কাছে বোধগম্য নয়। লং মার্চের নামে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি অপচয় করে সেখানে পিকনিকের মতো পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। তিনি বলেন, লং মার্চ করেছিলেন মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বিএনপিও স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে পদযাত্রা করেছে।
"বিগত ১৭ বছরে দেশের বিভিন্ন খাত ধ্বংস করা হয়েছে। সেখান থেকে দেশকে উত্তরণ ঘটাতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বিভক্ত হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতার জন্য উদগ্রীব হলে এর সুফল অন্যরা পাবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (ফার্মগেট), ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইশরাক হোসেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পীর হামিদুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ বছর, ১১ সেপ্টেম্বর, ২৪, ১২ জানুয়ারি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!