📅 ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৩৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

স্পিকারকে দেখে এমপি নজরুলের অনুপস্থিতিতে হাসির রোল পড়ল সংসদে

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম
স্পিকারকে দেখে এমপি নজরুলের অনুপস্থিতিতে হাসির রোল পড়ল সংসদে

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি জি এম নজরুল ইসলামের অনুপস্থিতিতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের মন্তব্য ‘জিএম তো নাই’ শুনে পুরো সংসদ কক্ষে হাসির রোল পড়ে। শ্রম আদালতের সংখ্যা ও কর্মকাণ্ড নিয়ে তার প্রশ্নটি বাতিল হয়ে যায়

ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬: জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের চতুর্থ দিনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের রসিকতায় মুহূর্তেই আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়। প্রশ্নোত্তর পর্বে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলামের নাম ধরে ডাকার পর তাকে অনুপস্থিত দেখে স্পিকার তাৎক্ষণিকভাবে বলেন, ‘জিএম তো নাই।’ এ কথা শোনামাত্রই উপস্থিত সব সদস্যের মাঝে হাসির রোল পড়ে যায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের মন্তব্য ‘জিএম তো নাই’ শুনে সংসদ কক্ষে হাসির রোল পড়ে
  • 📌 এমপি জি এম নজরুল ইসলামের অনুপস্থিতির কারণে তার প্রশ্নটি বাতিল বলে গণ্য হয়
  • 📌 প্রশ্নটি ছিল শ্রম আদালতের সংখ্যা ও কর্মকাণ্ড নিয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রীর উদ্দেশে
  • 📌 শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর পক্ষে দেওয়া লিখিত উত্তরে জানানো হয় দেশে মোট ১৫টি শ্রম আদালত পরিচালিত হচ্ছে

📰 বিস্তারিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের চতুর্থ দিনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের পরিচালনায় প্রশ্নোত্তর পর্ব চলাকালে ঘটনাটি ঘটে। অধিবেশনে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলামের একটি লিখিত প্রশ্ন উত্থাপনের জন্য স্পিকার তার নাম ধরে ডাকেন। কিন্তু সদস্য উপস্থিত না থাকায় স্পিকার তাৎক্ষণিকভাবে বলেন, ‘জিএম তো নাই।’ এ কথা শোনামাত্রই উপস্থিত সব সদস্যের মাঝে হাসির রোল পড়ে যায়।

সাংসদীয় আইন অনুযায়ী অনুপস্থিত থাকায় এমপি নজরুল ইসলামের প্রশ্নটি বাতিল বলে গণ্য হয় এবং তা আর আলোচিত হতে পারেনি। তার প্রশ্নটি ছিল দেশের শ্রম আদালতের বর্তমান সংখ্যা, জেলাওয়ারী অবস্থান, ঝুলে থাকা মামলার পরিসংখ্যান এবং দীর্ঘসূত্রতা কমানোর পদক্ষেপ সম্পর্কে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রীর উদ্দেশে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর পক্ষে দেওয়া লিখিত উত্তরে জানানো হয়, দেশে বর্তমানে একটি শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালসহ মোট ১৫টি শ্রম আদালত সক্রিয়ভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এসব আদালত ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও গাজীপুর অঞ্চলে বিস্তৃত রয়েছে।

“জিএম তো নাই।” — স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এমপি জি এম নজরুল ইসলাম, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫টি শ্রম আদালত, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖