📌 পুরোনো ব্যাংক শেয়ারধারীদের পুনর্বহালের সুযোগ দেওয়ার ধারা ১৮(ক) বিলুপ্ত করতে সংসদে নতুন বিল উত্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। একই দিনে জামায়াত নেতা নাজিবুর রহমানের বেসরকারি বিল প্রত্যাখ্যান করা হয়
সংসদে ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের আলোচিত ধারা ১৮(ক) বিলুপ্ত করতে নতুন বিল উত্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিলটি পাস হলে পুরোনো ব্যাংক শেয়ারধারীদের পুনর্বহালের সুযোগ চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন তিনি। পরে বিলটি অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য পাঠানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ধারা ১৮(ক) বিলুপ্ত করতে সংসদে নতুন বিল উত্থাপন
- 📌 পুরোনো ব্যাংক শেয়ারধারীদের পুনর্বহালের সুযোগ বন্ধ হবে নতুন আইনে
- 📌 অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার বিলটি উত্থাপন করেন
- 📌 বিলটি পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সাংসদীয় কমিটিতে পাঠানো
- 📌 একই দিনে জামায়াত নেতা নাজিবুর রহমানের বেসরকারি বিল প্রত্যাখ্যান
- 📌 নেপালের প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ তহবিলে ১০ লাখ মার্কিন ডলার অনুদান বাংলাদেশের
📰 বিস্তারিত
ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের আলোচিত ধারা ১৮(ক) বিলুপ্ত করতে সংসদে নতুন বিল উত্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিলটির উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, আইনটি কার্যকর হওয়ার পর ওই ধারার শর্ত পূরণ করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় ধারাটি বিলুপ্ত করা সমীচীন।
বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ সংশোধন করে ধারা ১৮(ক) যুক্ত করা হয়েছিল। ওই ধারায় বলা হয়েছিল, কোনো ব্যাংক রেজল্যুশনের আওতায় যাওয়ার আগে যাঁরা শেয়ারধারী ছিলেন, তাঁরা চাইলে পরে সেই ব্যাংকের শেয়ার, সম্পদ ও দায় বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদনের মাধ্যমে পুনর্বহাল করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক চাইলে অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকেও এই সুযোগ দিতে পারবে।
তবে ধারাটি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হওয়ার পর সরকার তা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে নতুন বিলের মাধ্যমে ধারা ১৮(ক) বিলুপ্তির প্রস্তাব করা হয়েছে। বিলটি অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য পাঠানো হয়।
"আইনটি কার্যকর হওয়ার পর ওই ধারার পূর্ণ শর্ত পরিপালন করে ইতিমধ্যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় ধারাটি বিলুপ্ত করা সমীচীন।"
একই অধিবেশনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান সরকারি অর্থ ও বাজেট ব্যবস্থাপনা আইনের সংশোধনী আনতে একটি বেসরকারি বিল উত্থাপনের অনুমতি চান। তবে অর্থমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য দিয়ে বিলটি প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন। ভোটে পরাজিত হওয়ায় নাজিবুরকে বিলটি উত্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নাজিবুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ধারা ১৮(ক), ১০ লাখ মার্কিন ডলার, ১২ কোটি ৩০ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!