📌 যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের চার কর্মকর্তা ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে নথি তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। অভিযোগে রয়েছে বদলি-পদোন্নতি বাণিজ্য ও টেন্ডারবাজির মাধ্যমে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের চার কর্মকর্তা ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় নথিপত্র তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর চিঠি পাঠিয়ে আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নথিপত্র জমা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অভিযুক্ত কর্মকর্তারা হলেন— সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন ও উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ
- 📌 দুদকের উপ-পরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে চার সদস্যের অনুসন্ধান দল গঠন
- 📌 অভিযোগে রয়েছে ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বদলি ও পদায়নে ৭৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া
- 📌 ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি ও স্থানান্তরে অতিরিক্ত ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ
📰 বিস্তারিত
দুদকের পাঠানো চিঠিতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিবকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের জন্য চার ধরনের নথিপত্র জমা দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। অনুসন্ধান দলটি গত বুধবার গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. জাহিদ কালাম।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত কর্মকর্তারা যুব উন্নয়ন অধিদফতরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশে বদলি, পদোন্নতি ও স্থানান্তরের নামে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। এছাড়া, বিভিন্ন কেনাকাটা ও টেন্ডারবাজির মাধ্যমেও দুর্নীতির অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সূত্রমতে, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার প্রত্যক্ষ মদদে এই দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তারা বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
"অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র দ্রুত জমা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হলো।" — দুর্নীতি দমন কমিশন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, মো. জাহিদ কালাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৮ জন কর্মকর্তা, ৭৬ লাখ টাকা, ১৫০ জন কর্মকর্তা, ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!