📌 ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ১৮(ক) ধারাটি বাতিল করতে সংসদে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সমালোচিত এই ধারাটি ব্যাংকের সাবেক পরিচালকদের পুনর্বহালের সুযোগ তৈরি করত বলে অভিযোগ রয়েছে
জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার ব্যাংক পুনর্গঠন আইনের বিতর্কিত ধারাটি বাতিল করতে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশে এই বিধান অন্তর্ভুক্ত ছিল না। পরবর্তীতে বিএনপি-নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর তা সংশোধন করে আইনে পরিণত করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ১৮(ক) ধারাটি বাতিলের প্রস্তাব নিয়ে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে
- 📌 এই ধারাটি ব্যাংকের সাবেক শেয়ারহোল্ডারদের পুনর্বহালের সুযোগ তৈরি করত বলে সমালোচকদের অভিযোগ
- 📌 ইসলামী ব্যাংকের পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার সময় এই বিধানটি বিশেষ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল
- 📌 অর্থমন্ত্রী জানান, এই ধারায় কোনো আবেদন না আসায় তা বাতিল করা যৌক্তিক
📰 বিস্তারিত
জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার ব্যাংক পুনর্গঠন আইনের বিতর্কিত ধারাটি বাতিল করতে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিলটি উত্থাপনের পর তা অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটিকে আগামী দুই কর্মদিবসের মধ্যে বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ১৮(ক) ধারাটি ব্যাংকের সাবেক শেয়ারহোল্ডারদের পুনর্বহালের সুযোগ তৈরি করত বলে সমালোচিত হয়েছিল। এই ধারার আওতায় ব্যাংক পুনর্গঠনের আগে শেয়ারধারী ব্যক্তিরা পুনরায় ব্যাংকের মালিকানা ফিরে পাওয়ার আবেদন করতে পারতেন। বাংলাদেশ ব্যাংকও অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকে এই সুযোগ প্রদানের ক্ষমতা রাখত।
পাঁচটি ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠনের প্রক্রিয়ার সময় এই বিধানটি বিশেষ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। কারণ ওই ব্যাংকগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট সাবেক পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডারদের পুনর্বহালের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। সরকার পরে এই বিধানটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়।
"আইনটি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই ধারায় বর্ণিত পূর্ণ শর্তাবলি মেনে আবেদন করেনি, তাই এই বিধানটি বাতিল করা যৌক্তিক।"
এদিকে, জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান ‘সরকারি অর্থ ও বাজেট ব্যবস্থাপনা আইন’ ২০০৯ সংশোধনের লক্ষ্যে একটি প্রাইভেট মেম্বারস বিল উত্থাপনের অনুমতি চান। অর্থমন্ত্রী তাকে বিলটি প্রত্যাহার করার অনুরোধ জানালেও তিনি অস্বীকৃতি জানান। পরবর্তীতে বিষয়টি ভোটাভুটির জন্য উত্থাপন করা হয়, যেখানে প্রস্তাবটি প্রয়োজনীয় সমর্থন লাভে ব্যর্থ হওয়ায় তার বিলটি উত্থাপনের অনুমতি দেয়া হয়নি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮(ক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!