📌 জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেছেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদেরকে ভুক্তভোগী হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না। নতুন গঠিত পার্লামেন্টারি ককাস অন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিসের প্রথম বৈঠকে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন। ফাহিমা নাসরিন এমপি সভাপতিত্বে বৈঠকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ইতিহাস ও ভবিষ্যতের পদক্ষেপ আলোচিত হয়
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল আজ বুধবার সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নতুন পার্লামেন্টারি ককাস অন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিসের প্রথম বৈঠকে সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদেরকে ভুক্তভোগী হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না। অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদেরকে শনাক্ত করে একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরতে হবে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি না হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদেরকে ভুক্তভোগী হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না — এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
- 📌 নতুন গঠিত পার্লামেন্টারি ককাস অন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস প্রথম বৈঠকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ইতিহাস ও ভবিষ্যতের পদক্ষেপ আলোচিত হয়।
- 📌 ককাসের উদ্দেশ্য: মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদেরকে শনাক্ত করে একটি গ্রহণযোগ্য চিত্র তুলে ধরা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা।
- 📌 নির্বাহী বিভাগকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করে ককাসের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানান ডেপুটি স্পিকার।
- 📌 ফাহিমা নাসরিন এমপি বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ফ্যাসিবাদ চলেছে — গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং এনকাউন্টারের নামে লাশ ফেলা ঘটনা ঘটেছে।
- 📌 ককাসের সদস্যরা মানবাধিকার সংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং সভা-সেমিনার আয়োজন করার পরিকল্পনা করেন।
📰 বিস্তারিত
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল আজ বুধবার সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পার্লামেন্টারি ককাস অন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিসের প্রথম বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদেরকে ভুক্তভোগী হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না। অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদেরকে শনাক্ত করে একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরতে হবে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি না হয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এ ধরনের সাংসদীয় ককাস গঠিত হয়নি। এটিকে কার্যকর কমিটি হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে দলগতভাবে একযোগে কাজ করতে হবে।
ককাসের সভাপতি ফাহিমা নাসরিন এমপি বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ফ্যাসিবাদের মধ্যে দিয়ে গেছে। এ সময়ে গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং এনকাউন্টারের নামে নদীতে লাশ ফেলে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। নুরু, জনিসহ অসংখ্য মানুষ এসব ঘটনার শিকার হয়েছেন। তিনি বলেন, জনগণের প্রকৃত ম্যান্ডেট নিয়ে দীর্ঘদিন পর সরকার গঠিত হয়েছে। এ ককাসের কাজ হবে মানুষের আশা ও প্রত্যাশার পরিপ্রেক্ষিতেই মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা।
বৈঠকে সদস্যরা যেমন হুমাম কাদের চৌধুরী, সাঈদ আল নোমান, মীর আহমাদ বিনকাসেম, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, মো. আবুল হাসনাত, জহরত আদিব চৌধুরী, সানজিদা ইসলাম ও আন্না মিনজ অংশ নেন। তারা আলোচনা করেন মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংগঠন, সংস্থা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করার বিষয়। এ ছাড়া এ বিষয়ে সভা, সেমিনার ও গবেষণাকর্মে ককাসের সদস্যদের অংশগ্রহণের বিষয়েও আলোচনা হয়।
"মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদেরকে ভুক্তভোগী হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না। অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদেরকে শনাক্ত করে একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরতে হবে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি না হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল, ফাহিমা নাসরিন এমপি, হুমাম কাদের চৌধুরী, সাঈদ আল নোমান, মীর আহমাদ বিনকাসেম, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, মো. আবুল হাসনাত, জহরত আদিব চৌধুরী, সানজিদা ইসলাম, আন্না মিনজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (পার্লামেন্টারি ককাস অন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিসের প্রথম বৈঠক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!