📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফরিদপুরে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল: চোখ উপড়ে নেওয়া ও হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগে এলাকায় রাজনৈতিক ঝগড়া

ফরিদপুরে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল: চোখ উপড়ে নেওয়া ও হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগে এলাকায় রাজনৈতিক ঝগড়া

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফরিদপুরের কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে এক ব্যক্তির চোখ উপড়ে নেওয়া ও হাত-পা ভেঙে দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। নির্যাতনের শিকার দেলোয়ার হোসেন পারভেজ খাঁ (৪১) সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানকে দায়ী করেছেন, কিন্তু স্থানীয়রা চুরির অভিযোগে গণপিটুনির দাবি করছেন। ঘটনায় রাজনৈতিক ঝগড়ার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে

ফরিদপুর সদর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে এক ব্যক্তির চোখ উপড়ে নেওয়া ও হাত-পা ভেঙে দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে উঠেছে। ঘটনায় নির্যাতনের শিকার মো. দেলোয়ার হোসেন পারভেজ খাঁ (৪১) সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফাকে দায়ী করেছেন, কিন্তু স্থানীয়রা চুরির অভিযোগে গণপিটুনির দাবি করছেন। ঘটনাটি রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফরিদপুর সদর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে ১ নভেম্বর রাতে এক ব্যক্তির চোখ উপড়ে নেওয়া ও হাত-পা ভেঙে দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
  • 📌 গুরুতর আহত দেলোয়ার হোসেন পারভেজ খাঁ (৪১) ভিডিওতে দাবি করেছেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা ও তার সহযোগীদের নির্দেশে নির্যাতিত হন।
  • 📌 ভিডিওতে ১ মিনিট ৫৩ সেকেন্ডে শয্যাশায়ী অবস্থায় দেলোয়ার যন্ত্রণায় কাতরার চিত্র দেখা যায়।
  • 📌 স্থানীয়রা দাবি, দেলোয়ারের বিরুদ্ধে গরু, মোবাইল ফোন, ইজিবাইক ব্যাটারি ও মসজিদের মাইক চুরির অভিযোগ রয়েছে।
  • 📌 ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়ার খবর নেই।
  • 📌 সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা ঘটনাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন।

📰 বিস্তারিত

১ নভেম্বর রাতে ফরিদপুর সদর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বড় মাধবপুর ময়নার মোড় এলাকায় মো. দেলোয়ার হোসেন পারভেজ খাঁ (৪১) নির্যাতিত হন। পরদিন ২ নভেম্বর সকালে তাঁকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁকে পাঠান।

ভিডিওতে দেলোয়ার দাবি করেছেন, আদালতে দায়ের করা একটি মামলা তুলে নিতে দীর্ঘদিন চাপ দেওয়া হত। এতে রাজি না হওয়ায় রোববার রাতে ১০ থেকে ১২ জন তাঁকে মুখ বাঁধা করে তুলে নিয়ে যায়। তিনি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফাকে নির্দেশদাতা হিসেবে অভিযুক্ত করেছেন। এছাড়া শাহিন মল্লিক, হাসিব মল্লিক, হাসিবুল মল্লিক, রিফাত, ছায়ফুল, আলমগীর, জাহাঙ্গীর ও বাজেদ ফকিরসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছেন।

বিরোধী পক্ষের দাবি, দেলোয়ারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে গরু, মোবাইল ফোন, শ্যালো মেশিন, ইজিবাইকের ব্যাটারি, ছাগল ও মসজিদের মাইক চুরির অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রিয়াজুল ইসলাম আব্বাস দাবি করেছেন, চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ার পর গণপিটুনির শিকার হন দেলোয়ার।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. গোলাম মোস্তফা ঘটনাটিকে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য ঘটনাটি সাজানো হয়েছে। বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম বাশারুল আলম বাদশা মিয়া জানান, তিনি ঘটনার কথা শুনেছেন, কিন্তু দেলোয়ারকে তাঁর বাড়িতে নেওয়া হয়েছিল কি না বা চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।

"আদালতে দায়ের করা মামলা তুলে নিতে দীর্ঘদিন চাপ দেওয়া হত। এতে রাজি না হওয়ায় ১০ থেকে ১২ জন আমাকে তুলে নিয়ে যায়। সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা আমাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।"

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফরিদপুর সদর উপজেলা, কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন, বড় মাধবপুর ময়নার মোড়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. দেলোয়ার হোসেন পারভেজ খাঁ (৪১), মো. গোলাম মোস্তফা (সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১ বছর, ১ নভেম্বর, ২ নভেম্বর, ১ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড, ১০-১২ জন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖