📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শীতকালে ৬টি শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায় তাপমাত্রা ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে

শীতকালে ৬টি শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায় তাপমাত্রা ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এবার শীতকালে সর্বোচ্চ ছয়টি শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি তীব্র আকার ধারণ করতে পারে এবং তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে। পাশাপাশি ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে

আবহাওয়া অধিদপ্তর শীতকালের পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে। এবার শীত মৌসুমে (নভেম্বর থেকে জানুয়ারি) দেশে সর্বোচ্চ ছয়টি শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে এবং তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে। বিশেষ করে নদ-নদীর অববাহিকায় ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৬টি শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস: এর মধ্যে ২-৩টি তীব্র আকার ধারণ করতে পারে
  • 📌 তাপমাত্রা ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে
  • 📌 ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা নদ-নদীর অববাহিকায় বেশি
  • 📌 স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত থাকবে, বঙ্গোপসাগরে ২-৪টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে
  • 📌 অক্টোবর মাসে ৬৮% কম বৃষ্টিপাত হয়েছিল, সর্বোচ্চ ৬৪ মিলিমিটার বৃষ্টি সিলেটে
  • 📌 নভেম্বর মাসে মাটির আর্দ্রতা ২৫-৪৫% থাকবে

📰 বিস্তারিত

আবহাওয়া অধিদপ্তর ১ নভেম্বর প্রকাশিত পূর্বাভাসে জানিয়েছে, এ সময়ে দেশে চার থেকে ছয়টি মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। মৃদু শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামতে পারে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে নদ-নদীর অববাহিকায় কুয়াশার ঘনত্ব বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে এক থেকে দুটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া, দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসতে পারে, যার ফলে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।

চলতি বছরের অক্টোবর মাসে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় ৬৮ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছিল। ওই মাসে ৯ অক্টোবর দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশ থেকে বিদায় নেয়। অক্টোবর মাসে বঙ্গোপসাগরে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়, যার মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এ রূপ নেয়। পরে ঘূর্ণিঝড়টি প্রবল ও অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে ২৮ অক্টোবর ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করে।

অক্টোবর মাসে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ ও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়। এ সময় বজ্রসহ দমকা ও ঝোড়ো হাওাও বয়ে যায়। ২ অক্টোবর সিলেটের শ্রীমঙ্গলে সর্বোচ্চ দৈনিক বৃষ্টিপাত ৬৪ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়। অন্যদিকে, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ২৭ অক্টোবর তেঁতুলিয়ায় রেকর্ড করা হয়। মাসটিতে দেশের সর্বোচ্চ, সর্বনিম্ন ও গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় যথাক্রমে ১ দশমিক ৮, শূন্য দশমিক ৪ ও ১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল।

নভেম্বর মাসে বিভাগভেদে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসে দেখা গেছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট ও খুলনায় স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা কম বৃষ্টিপাত হতে পারে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর ও বরিশাল বিভাগে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্বাভাস তৈরিতে প্রাপ্ত আবহাওয়া উপাত্ত, ঊর্ধ্বাকাশের আবহাওয়ার বিন্যাস, বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের বিশ্লেষণ, জলবায়ু মডেল, এল-নিনো ও লা-নিনার অবস্থা এবং আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থাগুলোর পূর্বাভাস পর্যালোচনা করা হয়েছে।

"এবার শীত মৌসুমে দেশে সর্বোচ্চ ছয়টি শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। তাপমাত্রা কমে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়াতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, খুলনা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল, নদ-নদীর অববাহিকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবহাওয়া অধিদপ্তর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ (শৈত্যপ্রবাহ), ৪-৬ (ডিগ্রি সেলসিয়াস), ৬৮% (অক্টোবর মাসের বৃষ্টিপাত কমে গেছে), ৬৪ (মিলিমিটার বৃষ্টি সিলেটে)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖