📌 জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল চার্চ অব ইংল্যান্ডের ফরেন পলিসি এ্যাডভাইজার ড. চার্লস রীডের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দুর্গাপূজার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়ে আলোচনা করে তারা বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পার্লামেন্টারি ককাস গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে চার্চ অব ইংল্যান্ডের ফরেন পলিসি এ্যাডভাইজার ড. চার্লস রীডের সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের ধর্মীয় স্বাধীনতা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং সাংসদীয় সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫ নভেম্বর জাতীয় সংসদ ভবনে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের কার্যালয়ে চার্চ অব ইংল্যান্ডের ফরেন পলিসি এ্যাডভাইজার ড. চার্লস রীডের সঙ্গে সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
- 📌 ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধিদল — গভর্ন্যান্স এ্যাডভাইজার শাহনাজ করিম, সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট এ্যাডভাইজার তাহেরা জাবীন, এফওআরবি প্রজেক্টের ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর রুহী নাজ ও সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার শশাঙ্ক বরণ রায় — উপস্থিত ছিলেন।
- 📌 ব্রিটিশ প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও সরকারের সহযোগিতা প্রশংসা করে। তারা বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
- 📌 ড. চার্লস রীড ও ব্রিটিশ প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে ‘ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা বিষয়ক পার্লামেন্টারি ককাস’ গঠনের প্রস্তাব নিয়ে ডেপুটি স্পীকারের সঙ্গে আলোচনা করেন।
- 📌 ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরুের কোনো বিভাজন নেই এবং সংবিধানে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি সংসদ সদস্যদের ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
- 📌 উভয় পক্ষ ধর্মীয় স্বাধীনতা, মানবাধিকার ও সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সাংসদীয় সহযোগিতার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের কার্যালয়ে চার্চ অব ইংল্যান্ডের ফরেন পলিসি এ্যাডভাইজার ড. চার্লস রীডের সঙ্গে সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এই সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধিদলও উপস্থিত ছিলেন। তারা বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও সরকারের সহযোগিতা প্রশংসা করেন। তারা বলেন, এই ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিবেশকে আরও সুদৃঢ় করেছে।
সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ প্রতিনিধিদল ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সাংসদীয় ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বাংলাদেশে একটি ‘ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা বিষয়ক পার্লামেন্টারি ককাস’ গঠনের প্রস্তাব নিয়ে ডেপুটি স্পীকারের সঙ্গে আলোচনা করেন।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। তিনি বলেন, “আমাদের কাছে সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বলে কোনো বিভাজন নেই। আমাদের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিকের ধর্ম পালনের স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করেছে।” তিনি সংসদ সদস্যদের ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ধর্মীয় বিশ্বাস ও স্বাধীনতা বিষয়ে পার্লামেন্টারি ককাস গঠন সংসদ সদস্যদের মধ্যে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি করবে।
"বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আমরা সকল ধর্মের মানুষের উৎসব অত্যন্ত সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে উদযাপন করি। আমাদের কাছে সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বলে কোনো বিভাজন নেই।"
ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, বর্তমান সংসদে সকল সংসদ সদস্যের মতামত ও কণ্ঠস্বরকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গঠন করতে চাই, যেখানে প্রতিটি মানুষ শান্তিতে নিঃশ্বাস নিতে পারবে এবং প্রত্যেক মানুষ তার ধর্মীয় বিশ্বাস ও মতাদর্শ স্বাধীনভাবে পালন করতে পারবে।” উভয় পক্ষ ধর্মীয় স্বাধীনতা, মানবাধিকার ও সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সাংসদীয় সহযোগিতার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (ডেপুটি স্পিকার), ড. চার্লস রীড (চার্চ অব ইংল্যান্ডের ফরেন পলিসি এ্যাডভাইজার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ নভেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!