📅 ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাশিয়া ইরানকে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার সরবরাহের চুক্তিতে সম্মত: ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন

রাশিয়া ইরানকে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার সরবরাহের চুক্তিতে সম্মত: ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন

📷 ছবি: DBC News

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডিবিসি নিউজ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাশিয়া ইরানকে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার সরবরাহের চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই লঞ্চারগুলো হেলিকপ্টার থেকে পরিচালনা করা যায় এবং ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে সক্ষম। ইরানের সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের জন্য সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে দেখা যাচ্ছে এই প্রযুক্তি

রাশিয়া ইরানকে অত্যাধুনিক সামরিক প্রযুক্তি সরবরাহের নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) প্রকাশিত ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, রাশিয়া ইরানকে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার সরবরাহের চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। এই লঞ্চারগুলো হেলিকপ্টার থেকে পরিচালনা করা যায় এবং ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে সক্ষম।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাশিয়া ইরানকে ৯০টি ‘এপিইউ-এল’ ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার সরবরাহের চুক্তিতে সম্মত হয়েছে, যা হেলিকপ্টার থেকে পরিচালনা করা যায়।
  • 📌 প্রতিটি লঞ্চারে দুটি করে ‘এলএমইউআর’ নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র বহন করা সম্ভব, যা উড়ন্ত অবস্থায় লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে।
  • 📌 রাশিয়ার এমআই-২৮ আক্রমণকারী হেলিকপ্টারে এই লঞ্চারগুলো সংযুক্ত করা যাবে।
  • 📌 ইরানকে সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে মস্কো, যা পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের জন্য সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
  • 📌 গোপন ‘সি৪৩০এল’ প্রকল্পের আওতায় রুশ প্রকৌশলীরা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের ইঞ্জিন ও জ্বালানিব্যবস্থা উন্নয়নে কাজ করছেন।
  • 📌 ইরান রাশিয়াকে আগে ‘শাহেদ ড্রোন’ সরবরাহ করেছিল, যা ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছে।
  • 📌 বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া ইরানের সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করলেও যুদ্ধের গতিপথ আমূল বদলে দেওয়ার সম্ভাবনা সীমিত।

📰 বিস্তারিত

ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের হাতে আসা রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পের ২০২৪ ও ২০২৫ সালের উৎপাদনসংক্রান্ত নথিতে ৯০টি ‘এপিইউ-এল’ লঞ্চার রপ্তানির আদেশের উল্লেখ রয়েছে। ক্রেতার পরিচয় দেওয়া হয়েছে ‘কে-১০’ সাংকেতিক নামে, যা ইরানকে বোঝাতে ব্যবহার করে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় অস্ত্র রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান। তবে লঞ্চারগুলো ইতোমধ্যে সরবরাহ করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া ইরানের সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করলেও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়ার বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে মস্কো। যুক্তরাষ্ট্রসহ আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখতে চায় ক্রেমলিন। ফলে রাশিয়ার সহায়তা ইরানের সামরিক সক্ষমতা বাড়ালেও যুদ্ধের গতিপথ আমূল বদলে দেওয়ার সম্ভাবনা সীমিত বলে মনে করা হয়।

এই লঞ্চারগুলো রাশিয়ার এমআই-২৮ আক্রমণকারী হেলিকপ্টারে সংযুক্ত করা যায়। প্রতিটি লঞ্চারে দুটি করে ‘এলএমইউআর’ নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র বহন করা সম্ভব। উড্ডয়নকালেও ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ পরিবর্তন করে চলমান লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা যায়।

"ইরানকে সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তিগত সহায়তাও দিয়েছে মস্কো। গোপন ‘সি৪৩০এল’ প্রকল্পের আওতায় রুশ প্রকৌশলীরা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের ইঞ্জিন ও জ্বালানিব্যবস্থা উন্নয়নে কাজ করেছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মস্কো (রাশিয়া), পারস্য উপসাগর, ইরান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পের প্রকৌশলীরা, বিশ্লেষকরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০টি লঞ্চার, ২টি করে ক্ষেপণাস্ত্র, ২০২৪-২০২৫ সালের উৎপাদন নথি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖