📌 সংসদে গঠিত মানবাধিকার ও শান্তি বিষয়ক ককাসের প্রথম বৈঠকে সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাবলী পর্যালোচনা ও বিচারপ্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ও সভাপতি ফাহিমা নাসরিনের সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়
জাতীয় সংসদে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাবলী পর্যবেক্ষণ ও বিচারপ্রক্রিয়া নিশ্চিতকরণে গঠিত নতুন সাংসদীয় ককাসের প্রথম বৈঠক বুধবার অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের একসাথে অংশগ্রহণে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো চিহ্নিত করা এবং বিচারপ্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের শেষে সাংসদীয় ককাসের চেয়ারপারসন ফাহিমা নাসরিন সাংবাদিকদেরকে এই তথ্য জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২ নভেম্বর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সিদ্ধান্তে মানবাধিকার ও শান্তিবিষয়ক সাংসদীয় ককাস গঠিত হয়
- 📌 বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন সংসদ সদস্য ফাহিমা নাসরিন; ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল অংশ নেন
- 📌 ককাসের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন হুমাম কাদের চৌধুরী, সাঈদ আল নোমান, মীর আহমাদ বিন কাসেম, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, মো. আবুল হাসনাত, জহরত আদিব চৌধুরী, সানজিদা ইসলাম ও আন্না মিনজ
- 📌 ককাসের উদ্দেশ্য: মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা চিহ্নিত ও বিচারপ্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ
- 📌 ডেপুটি স্পিকার বলেন, নির্বাহী বিভাগকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে ককাসের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে
📰 বিস্তারিত
সাংসদীয় ককাসের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে। এই বৈঠকে সংসদ সদস্যদের একসাথে অংশগ্রহণে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাবলী পর্যালোচনা ও বিচারপ্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন সংসদ সদস্য ফাহিমা নাসরিন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বৈঠকে অংশ নেন এবং বলেন, ‘বিগত সময়ে যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে এবং যারা ভিকটিম, তাদের শনাক্ত করে একটি গ্রহণযোগ্য চিত্র তুলে ধরে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড আর সংঘটিত না হয়, সে বিষয়ে সজাগ ও সচেতনতার সঙ্গে কাজ করার উদ্দেশ্যে এই ককাস গঠন করা হয়েছে।’
ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, ‘এই কমিটিকে একটি কার্যকর কমিটি হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’ তিনি আইন, স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে ককাসটিকে একটি শক্তিশালী পরিকাঠামো হিসেবে দাঁড় করাতে আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী যাতে কোনোভাবেই ভুক্তভোগী সাজার চেষ্টা করতে না পারে, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আহ্বান জানান।
সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাংসদীয় ককাস হলো নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে একমত হওয়া একটি দল। এটি সংসদের কোনো স্থায়ী কমিটি বা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়। ককাসের সদস্যরা হলেন হুমাম কাদের চৌধুরী, সাঈদ আল নোমান, মীর আহমাদ বিন কাসেম, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, মো. আবুল হাসনাত, জহরত আদিব চৌধুরী, সানজিদা ইসলাম ও আন্না মিনজ।
"বিগত সময়ে যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে এবং যারা ভিকটিম, তাদের শনাক্ত করে একটি গ্রহণযোগ্য চিত্র তুলে ধরে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড আর সংঘটিত না হয়, সে বিষয়ে সজাগ ও সচেতনতার সঙ্গে কাজ করার উদ্দেশ্যে এই ককাস গঠন করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফাহিমা নাসরিন (সভাপতি), কায়সার কামাল (ডেপুটি স্পিকার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ নভেম্বর (ককাস গঠনের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!