📅 ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৪৫ বছর পর সীমান্তে বাবার মরা মুখ দেখে কাঁদলেন কন্যা, শূন্যরেখায় আবেগের সাক্ষী হলো আত্মীয়স্বজন

৪৫ বছর পর সীমান্তে বাবার মরা মুখ দেখে কাঁদলেন কন্যা, শূন্যরেখায় আবেগের সাক্ষী হলো আত্মীয়স্বজন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৪৫ বছর পর সীমান্তের শূন্যরেখায় বাবার মরা মুখ দেখলেন মেহেরপুরের ফেরদৌসী খাতুন। বিজিবি ও বিএসএফের উদ্যোগে বাবা-কন্যা একত্রিত হলেও, বাবা আর যত্ন নিতে পারেননি। শতবর্ষী মো মোনরুদ্দিন শেখের বাড়ি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে

৪৫ বছর পর সীমান্তের শূন্যরেখায় বাবার মরা মুখ দেখে কাঁদতে কাঁদতে ফেরদৌসী খাতুনের মনে এক অপরিহার্য আক্ষেপ জাগে। কাঁটাতারের বেড়া তাঁদের দীর্ঘ চার দশক ধরে আলাদা করে রেখেছিল। বাবা মো মোনরুদ্দিন শেখের যত্ন নেওয়া, মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়া বা মুখে খাদ্য খাইয়ে দেওয়ার সুযোগই তাঁকে কখনো পায়নি। বিজিবি ও ভারতীয় সীমান্ত গার্ডস (বিএসএফ) এর মানবিক উদ্যোগে আজ মেহেরপুরের মুজিবনগর সীমান্তে বাবা-কন্যা একত্রিত হলেও, বাবা আর তাঁকে দেখতে পাননি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৪৫ বছর পর সীমান্তে মেহেরপুরের ফেরদৌসী খাতুন বাবার মরা মুখ দেখলেন।
  • 📌 শতবর্ষী বাবা মো মোনরুদ্দিন শেখের বয়স প্রায় ১০০ বছর। তাঁর বাড়ি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চাপড়া থানার হৃদয়পুর গ্রামে।
  • 📌 বেলা ১১টায় মুজিবনগর স্বাধীনতা সড়কের ১০৫ নম্বর সীমান্ত পিলারের শূন্যরেখায় বাবা-কন্যা একত্রিত হলেন।
  • 📌 মো মোনরুদ্দিন শেখের ছয় সন্তানের মধ্যে তিন ছেলে ও তিন মেয়ে।

📰 বিস্তারিত

মেহেরপুরের মুজিবনগর সীমান্তে আজ এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বিজিবি ও বিএসএফের উদ্যোগে বাবা-কন্যা একত্রিত হলেও, বাবা আর যত্ন নিতে পারেননি। ফেরদৌসী খাতুনের মনে এক অপরিহার্য আক্ষেপ জাগে। তাঁর বাবা মো মোনরুদ্দিন শেখের বাড়ি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চাপড়া থানার হৃদয়পুর গ্রামে। তাঁর বয়স প্রায় ১০০ বছর।

বেলা ১১টায় মুজিবনগর স্বাধীনতা সড়কের ১০৫ নম্বর সীমান্ত পিলারের শূন্যরেখায় বাবা-কন্যা একত্রিত হন। স্থানীয়রা জানান, মো মোনরুদ্দিন শেখের ছয় সন্তানের মধ্যে তিন ছেলে ও তিন মেয়ে। কাঁটাতারের বেড়া তাঁদের দীর্ঘ চার দশক ধরে আলাদা করে রেখেছিল।

মৃত বাবার মুখ দেখে ফেরদৌসী খাতুন বারবার ডুকরে কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন, "৪৫ বছর পর যখন দেখা হলো, তখন বাবা চলে গেছেন সব আদর, ভালোবাসা, যত্নের ঊর্ধ্বে।"

"৪৫ বছর পর যখন দেখা হলো, তখন বাবা চলে গেছেন সব আদর, ভালোবাসা, যত্নের ঊর্ধ্বে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মেহেরপুরের মুজিবনগর সীমান্ত, মুজিবনগর স্বাধীনতা সড়ক, ১০৫ নম্বর সীমান্ত পিলার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফেরদৌসী খাতুন, মো মোনরুদ্দিন শেখ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ বছর, ১০০ বছর, ১১ টা, ১০৫ নম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖