📌 প্রথম আলোয় প্রকাশিত নাদিম মাহমুদের কলাম নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ। তিনি বলেছেন, লেখক তাঁর বক্তব্যকে বিকৃত করেছেন এবং সহিংসতার দায় তাঁর ওপর চাপানো হয়েছে
৯ আগস্ট প্রথম আলোয় প্রকাশিত নাদিম মাহমুদের ‘প্রথম আলো নিয়ে জামায়াতের এমপির কেন এই বিষোদ্গার’ শীর্ষক মতামতের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ। একই সঙ্গে লেখকের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁর প্রতিক্রিয়াও প্রকাশ করেছে পত্রিকাটি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মারদিয়া মমতাজ বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে সহিংসতার দায় আরোপ করা হয়েছে, যা তাঁর বক্তব্যের বিকৃতি
- 📌 তিনি উল্লেখ করেন, তাঁর লেখায় ব্যবহৃত ‘আমরা’ শব্দটি নিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রশ্ন তোলা হয়েছে
- 📌 মারদিয়া মমতাজ বলেন, সহিংসতা কাজ করে না, বরং পাঠকের ক্ষমতাই প্রকৃত শক্তি
- 📌 তিনি উদাহরণ হিসেবে ইংল্যান্ডের হিলসবরো ট্র্যাজেডির কথা উল্লেখ করেন, যেখানে দ্য সান পত্রিকার মিথ্যা প্রচারের বিরুদ্ধে পাঠকরা প্রতিবাদ করেছিলেন
📰 বিস্তারিত
গোপন বন্দিশালা নিয়ে প্রথম আলোর প্রতিবেদনের শিরোনামে ‘কথিত’ শব্দ ব্যবহারের প্রতিবাদ জানিয়ে মারদিয়া মমতাজ বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শত শত মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করলেও তাঁদের কারও নাম প্রকাশিত হয়নি। শুধু তাঁর নাম প্রকাশিত হওয়ায় তিনি প্রশ্ন তোলেন, বাংলাদেশের মতো পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীর রাজনীতিতে অংশগ্রহণের বিরোধিতা নতুন নয় কেন।
তিনি আরও বলেন, তাঁর লেখায় ব্যবহৃত ‘আমরা’ শব্দটি নিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রশ্ন তোলা হয়েছে। লেখক তাঁকে সরাসরি প্রশ্ন না করে তাঁর বক্তব্যকে বিকৃত করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। মারদিয়া মমতাজ বলেন, তিনি কোনো সহিংসতার দায় স্বীকার করেননি বা কোনো সংগঠনের সঙ্গে ঘটনার সংযোগ করেননি।
তিনি তাঁর বক্তব্যকে রূপক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সহিংসতা কাজ করে না, বরং পাঠকের ক্ষমতাই প্রকৃত শক্তি। তাঁর মতে, পাঠকই পত্রিকাকে জবাবদিহির মুখোমুখি করতে পারেন। তিনি উদাহরণ হিসেবে ইংল্যান্ডের হিলসবরো ট্র্যাজেডির কথা উল্লেখ করেন, যেখানে দ্য সান পত্রিকার মিথ্যা প্রচারের বিরুদ্ধে পাঠকরা প্রতিবাদ করেছিলেন।
"আমি কোনো সহিংসতার দায় স্বীকার করিনি। কোনো সংগঠনকে সেই ঘটনার সঙ্গে যুক্তও করিনি। অথচ আমার বক্তব্য থেকে এমন একটি সংযোগ তৈরি করা হয়েছে, যার ভিত্তি আমার বক্তব্যে নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মারদিয়া মমতাজ, নাদিম মাহমুদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৭ জন (হিলসবরো ট্র্যাজেডিতে নিহত), ১৫ বছর (ক্ষমতায় থাকার সময়কাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!