📌 ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রাশাদ আল-আলিমি ঘোষণা দিয়েছেন হাউছি বিদ্রোহীদের দখলকৃত এলাকাগুলো পুনর্দখলের জন্য সামরিক অভিযান শুরু করা হবে। সৌদি আরবের সহায়তায় এই অভিযানের লক্ষ্য হলো দেশের পুরো ভূখণ্ডে সরকারি নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনা এবং লোহিত সাগরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের (পিএলসি) চেয়ারম্যান রাশাদ আল-আলিমি রোববার টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে ঘোষণা দিয়েছেন, হাউছি বিদ্রোহীদের দখলে থাকা অবশিষ্ট এলাকাগুলো পুনর্দখলের জন্য সামরিক অভিযান শুরু করা হবে। এই অভিযানের লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দেশের পুরো ভূখণ্ডে সরকারি নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনা। ইয়েমেনের দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধে এই ঘোষণা নতুন করে বড় ধরনের উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইয়েমেনের প্রধান আল-আলিমি ঘোষণা দিয়েছেন হাউছিদের দখলকৃত এলাকাগুলো পুনর্দখলের জন্য সামরিক অভিযান শুরু করা হবে।
- 📌 গত শুক্রবার তায়েজ প্রদেশে হাউছিদের লক্ষ্য করে সরকারি বাহিনী ২০টি বিমান হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
- 📌 হাউছিদের ইরানি সামরিক উপদেষ্টাদের সহায়তায় লোহিত সাগরের উপকূলীয় এলাকায় দ্রুত অগ্রসর হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
- 📌 সৌদি আরব হাউছিদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যার লক্ষ্য বাব আল-মান্দাব প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার।
- 📌 লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বাব আল-মান্দাব প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
রাশাদ আল-আলিমি রোববার টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে বলেছেন, সরকারি বাহিনী হাউছিদের বিরুদ্ধে সামরিক উদ্যোগ ধরে রাখবে এবং দেশের পুরো ভূখণ্ডে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সামরিক অভিযান শুরু করবে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হাউছিদের অগ্রগতির পর সরকারি বাহিনী পাল্টা সামরিক তৎপরতা জোরদার করেছে। গত শুক্রবার তায়েজ প্রদেশে হাউছিদের লক্ষ্য করে সরকারি বাহিনী ২০টি বিমান হামলা চালানোর কথা জানানো হয়েছে। এই হামলাগুলো মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চল ও লোহিত সাগর উপকূলে হাউছিদের অগ্রগতি সরকারি বাহিনী ও তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। আল-আলিমির ঘোষণার আগে তিনি সরকারি বাহিনীকে সামরিক উদ্যোগ ধরে রাখার আহ্বান জানিয়েছিলেন। গত সেপ্টেম্বরের শুরুতে তায়েজ, আল-জাওফ, আল-বায়দা ও আল-হুদায়দা প্রদেশের কয়েকটি ফ্রন্টে সরকারি বাহিনীর অগ্রগতির দাবি করা হয়েছিল।
অন্যদিকে, হাউছিদের লোহিত সাগরের উপকূলবর্তী এলাকায় দ্রুত অগ্রসর হওয়ার ফলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মোখা বন্দরসহ বেশ কিছু এলাকা দখলে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ অগ্রগতিতে ইরানি সামরিক উপদেষ্টাদের সহায়তা পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। হাউছিদের এই অগ্রগতি সৌদি আরব ও ইয়েমেন সরকারের ওপর সামরিক ও কৌশলগত চাপ বাড়িয়েছে।
"রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দেশের পুরো ভূখণ্ডে সরকারি নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে আমরা সামরিক অভিযান শুরু করব"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইয়েমেন (তায়েজ, আল-জাওফ, আল-বায়দা, আল-হুদায়দা প্রদেশ, লোহিত সাগর উপকূল, মোখা বন্দর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাশাদ আল-আলিমি (ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০টি বিমান হামলা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!