📌 টাঙ্গাইল জেলা দলিল লেখক সমিতি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা সোনা আকন্দরকে সভাপতি ঘোষণা করার পর এক দিনে কমিটি বাতিল করা হয়। বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনও সমালোচনার মুখে পড়েন
টাঙ্গাইল জেলায় দলিল লেখক সমিতির কমিটি গঠনের এক দিন পর তা বাতিল করা হয়েছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা সোনা আকন্দরকে সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছিল, যা সমিতির সদস্যদের প্রতিবাদে বাতিল হয়। রোববার বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কে এম হোসেনের স্বাক্ষরিত চিঠিতে কমিটি বাতিলের কথা জানানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 টাঙ্গাইল জেলা দলিল লেখক সমিতি সোনা আকন্দরকে সভাপতি ঘোষণা করে, কিন্তু এক দিন পর কমিটি বাতিল করা হয়
- 📌 সোনা আকন্দর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি, জুলাই আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের মামলায় জামিনে মুক্ত
- 📌 সমাবেশে বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন প্রধান অতিথি ছিলেন, কিন্তু তিনি কমিটি গঠনের দায়িত্ব নেননি
- 📌 সমিতির সদস্যরা সোনা আকন্দরকে সভাপতি হিসেবে নিযুক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান
- 📌 ছাত্রদলের সদস্য কায়সার রহমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির সভাপতিকে প্রশ্নের মুখে ফেলেন
📰 বিস্তারিত
গত শনিবার টাঙ্গাইল জেলা রেজিস্ট্রার অফিস চত্বরে দলিল লেখক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এই সমাবেশে সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি এম এ রশীদ ও মহাসচিব কে এস হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে জেলার বিভিন্ন উপজেলার দলিল লেখকরা অংশ নেন। সমাবেশের এক পর্যায়ে সভাপতি হিসেবে সোনা আকন্দর ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে খন্দকার জাহিদ হোসেনের নাম ঘোষণা করা হয়। তবে এই ঘোষণার বিরুদ্ধে সমিতির সদস্যরা তৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানান।
সোনা আকন্দর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি। তাঁর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে দুটি হত্যাকাণ্ডসহ ছাত্র-জনতার ওপর হামলার মামলায় একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হয়েছেন। সমিতির সদস্য মো. রেজাউল রহমান জানান, সোনা আকন্দরকে সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করার পর তিনি বিস্মিত হন এবং তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করেন।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন। তিনি বলেন, ‘৭ দফা দাবিতে দলিল লেখকদের সমাবেশ ছিল। সেখানে আমি প্রধান অতিথি ছিলেন। ওই সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি ও মহাসচিব ছিলেন। তাঁরাই কমিটি ঘোষণা করেছেন। দলিল লেখক সমিতির কমিটি গঠন বা ঘোষণার এখতিয়ার আমার নেই।’
সমাবেশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়। জেলা ছাত্রদলের সদস্য কায়সার রহমান ফেসবুকে বিএনপির সভাপতিকে প্রশ্নের মুখে ফেলেন, ‘২৪-এর আগস্টে মারুফ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সোনা আকন্দর কাছে কত টাকার বিনিময়ে জিয়াউর রহমানের আদর্শ বিক্রি করেছেন?’
"৭ দফা দাবিতে দলিল লেখকদের সমাবেশ ছিল। সেখানে আমি প্রধান অতিথি ছিলেন। ওই সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি ও মহাসচিব ছিলেন। তাঁরাই কমিটি ঘোষণা করেছেন। দলিল লেখক সমিতির কমিটি গঠন বা ঘোষণার এখতিয়ার আমার নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টাঙ্গাইল জেলা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোনা আকন্দর, হাসানুজ্জামিল শাহীন, কে এম হোসেন, এম এ রশীদ, কে এস হোসেন, মো. রেজাউল রহমান, কায়সার রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ নং ওয়ার্ড, ২০২৪ সালের জুলাই, ৭ দফা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!