📌 চরফ্যাশনের আল-ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী ও তাদের স্বজনদের হয়রানি ও অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শিশুদের দীর্ঘ অপেক্ষা ও পরীক্ষার ফি বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন রোগীরা।
চরফ্যাশনের আল-ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী ও তাদের স্বজনদের হয়রানি ও অতিরিক্ত পরীক্ষা ফি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, বাইরে থেকে পরীক্ষা করিয়ে আসা রোগীদের সিরিয়ালে পিছিয়ে দেওয়া হয় এবং কিছু পরীক্ষার ফি তুলনামূলক বেশি নেওয়া হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চরফ্যাশনের আল-ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী ও স্বজনদের হয়রানি ও অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে
- 📌 সাত মাস বয়সী শিশু আরহামের চিকিৎসায় ৬০০ টাকা ভিজিট ফি দিতে হয়েছিল, কিন্তু এক্স-রে পরীক্ষার ফি বাইরে থেকে বেশি
- 📌 বাইরে থেকে পরীক্ষা করিয়ে আসা রোগীদের সিরিয়ালে পিছিয়ে দেওয়া হয়, ফলে দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয়
- 📌 স্থানীয়দের দাবি, একই পরীক্ষার ফি বাইরে প্রায় ৬০০ টাকা, কিন্তু সেখানে প্রায় ১০০০ টাকা নেওয়া হয়
- 📌 চিকিৎসক রবীন তালুকদার মোবাইল কলে জবাব না দিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
চরফ্যাশন উপজেলায় অবস্থিত আল-ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী ও তাদের স্বজনদের হয়রানি ও অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার রাতে সাত মাস বয়সী শিশু আরহাম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসার জন্য সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক রবীন তালুকদারের কাছে দেখাতে ৬০০ টাকা ভিজিট ফি দিতে হয়েছিল। পরে চিকিৎসক শিশুটিকে এক্স-রে করানোর পরামর্শ দেন। কিন্তু পরীক্ষা করানোর জন্য সেন্টারের কাউন্টারে গেলে রোগীরা অনুভব করেন যে, ফি তুলনামূলক বেশি দাবি করা হচ্ছে।
রোগীরা বাইরে একটি প্রতিষ্ঠানে এক্স-রে করিয়ে রিপোর্ট নিয়ে ফিরে আসেন। কিন্তু সেখানে তাদের জানানো হয়, বাইরে থেকে পরীক্ষা করিয়ে আসা রোগীদের সিরিয়ালে পিছিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, আগে সিরিয়াল থাকলেও প্রতিষ্ঠানের ভেতরে পরীক্ষা করানো রোগীদের চিকিৎসক দেখানোর পর তাদের সুযোগ দেওয়া হয়। ফলে অসুস্থ শিশু আরহামের পরিবার দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়।
অনেক রোগীর স্বজনরা দাবি করেন, বাইরে থেকে পরীক্ষা করিয়ে আসার কারণে যদি সিরিয়ালে পিছিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে এটি রোগীর জন্য হয়রানির মতো। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, আশপাশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় আল-ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কিছু পরীক্ষার ফি বেশি নেওয়া হচ্ছে। তাদের দাবি, কোনো কোনো পরীক্ষা বাইরে প্রায় ৬০০ টাকায় করা যায়, কিন্তু সেখানে প্রায় ১০০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়।
রোগীদের অভিযোগ, চিকিৎসক নিয়মিত ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বসায় অনেক রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। ফলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষার ক্ষেত্রেও রোগীদের ওই প্রতিষ্ঠানেই পরীক্ষা করানোর চাপ তৈরি হচ্ছে। এতে আর্থিকভাবে অসচ্ছল রোগীদের বাড়তি ব্যয়ের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
"আমরা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করিয়েছি। কোথায় পরীক্ষা করাব, সেটি রোগী ও স্বজনের বিষয়। বাইরে থেকে পরীক্ষা করিয়ে আসার কারণে যদি সিরিয়ালে পিছিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে এটি রোগীর জন্য হয়রানির মতো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চরফ্যাশন উপজেলা, ভোলা, হাসপাতাল রোডে অবস্থিত আল-ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চিকিৎসক রবীন তালুকদার, আল-ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজার বিল্লাহ, রোগী ও তাদের স্বজনরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০০ টাকা (ভিজিট ফি), ৬০০ টাকা (বাইরে এক্স-রে ফি), ১০০০ টাকা (সেন্টারে এক্স-রে ফি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!