📌 ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার খারুয়া গ্রামের ২৫ বছর বয়সী মামুন মিয়া চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে ড্রোন হামলায় নিহত হন। পরিবার দাবি করে, দালালচক্র তাঁকে রুশ সেনাবাহিনীর কাছে বিক্রি করে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠিয়েছিল
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার খারুয়া গ্রামের ২৫ বছর বয়সী মামুন মিয়া (২৫) চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের সম্মুখ সমরে ড্রোন হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, দালালচক্র তাঁকে রুশ সেনাবাহিনীর কাছে বিক্রি করে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানোর পর মামুন প্রায় দুই সপ্তাহ আগে নিহত হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার খারুয়া গ্রামের ২৫ বছর বয়সী মামুন মিয়া (২৫) রাশিয়ায় চাকরির আশায় গিয়ে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় নিহত হন
- 📌 মামুন মিয়া গত ৭ মে ‘জাবাল-এ নূর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড’ এজেন্সির মাধ্যমে রাশিয়া যান, সেখানে দালালচক্র তাঁকে রুশ সেনাবাহিনীর কাছে বিক্রি করে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠান
- 📌 মামুন মিয়া ও তার সঙ্গী রাজন মিয়া (ঝিনাইদহ) যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন হামলায় আহত হন, রাজন পালিয়ে দেশে ফিরে আসেন
- 📌 মামুন মিয়া পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য ছিলেন, তাঁর মৃত্যুর পর পরিবার শোকের মধ্যে ডুবে পড়েছে
- 📌 মামুন মিয়া গত ২৬ আগস্ট শেষবার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছিলেন, তখন তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে আছেন বলে জানিয়েছিলেন
📰 বিস্তারিত
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার খারুয়া গ্রামের ২৫ বছর বয়সী মামুন মিয়া (২৫) চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের সম্মুখ সমরে ড্রোন হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মামুন মিয়া গত ৭ মে ‘জাবাল-এ নূর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড’ নামের একটি এজেন্সির মাধ্যমে সাড়ে আট লাখ টাকা চুক্তিতে রাশিয়ার উদ্দেশে পাড়ি জমান। তাঁর সঙ্গে প্রায় ৩০ জনের একটি দল ছিল।
রাশিয়ায় পৌঁছানোর মাত্র চার দিন পর দালালচক্র মামুনসহ পুরো দলের যুবকদের রুশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে দেয়। পরে তাঁদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে জোরপূর্বক ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের সম্মুখ সমরে পাঠানো হয়। মামুন মিয়া ও তার সঙ্গী ঝিনাইদহের রাজন মিয়া গতকাল মঙ্গলবার মামুনের পরিবারকে জানান, দুই সপ্তাহ আগে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ড্রোন হামলায় মামুন প্রাণ হারান। ওই হামলায় রাজন মিয়া গুরুতর আহত হন এবং পরে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে দেশে ফিরে আসেন।
মামুন মিয়া উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের খারুয়া গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে ছিলেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য হিসেবে তিনি সংসারের ভার বহন করতেন। মামুনের মৃত্যুর খবর পেয়ে পরিবার শোকের মধ্যে ডুবে পড়েছে। মামুনের স্ত্রী মহিমা আক্তার বলেন, ‘দুই বাচ্চা নিয়ে এখন আমি কীভাবে সংসার চালাব? মরদেহটা কীভাবে দেশে আনব, তাও তো জানি না।’ তিনি দ্রুত মরদেহ ফিরিয়ে আনতে সরকারের কাছে দাবি জানান।
মামুনের মা রোকেয়া খাতুন বলেন, ‘সংসারের সচ্ছলতা ফেরানোর জন্য তিনি বিদেশে গিয়েছিলেন। কিন্তু এখন তাঁর ফিরে আসার কোনো আশা নেই। আমরা তাঁর মরদেহ ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহায়তা চাইছি।’
"দুই বাচ্চা নিয়ে এহন আমি কীভাবে সংসার চালাব? মরদেহটা কীভাবে দেশে আনব, তাও তো জানি না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা, খারুয়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মামুন মিয়া (২৫), রোকেয়া খাতুন, মহিমা আক্তার, রাজন মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর বয়স, ৯ নম্বর ওয়ার্ড, ৭ মে, ৩০ জন, ২৬ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!