📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:২২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

উচ্চশিক্ষায় নারীর জয়যাত্রা: কর্মক্ষেত্রে কেন রয়ে গেল বৈষম্যের দেয়াল?

উচ্চশিক্ষায় নারীর জয়যাত্রা: কর্মক্ষেত্রে কেন রয়ে গেল বৈষম্যের দেয়াল?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 উচ্চশিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়লেও কর্মক্ষেত্রে তাদের উপস্থিতি রয়ে গেছে নগণ্য। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের হার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ হলেও বিসিএস ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণ মাত্র ১৭ থেকে ৪১ শতাংশ। অবৈতনিক গৃহস্থালি কাজের মূল্য জিডিপির ১৮.৯ শতাংশ হলেও শ্রমশক্তিতে এর প্রভাব অনুপস্থিত।

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শ্রেণিকক্ষে এখন স্পষ্ট এক পরিবর্তন। ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের উপস্থিতি অনেক বেশি। আমাদের বিভাগে ভর্তির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই ছাত্রী। কোনো কোনো ব্যাচে এই হার ৩০ শতাংশ ছাত্র ও ৭০ শতাংশ ছাত্রী পর্যন্ত পৌঁছেছে। ক্লাসে মাঝেমধ্যে এমন মন্তব্যও শোনা যায় যে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে একদিন ছাত্রদের জন্য কোটার দাবি উঠতে পারে। তবে এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে উচ্চশিক্ষায় নারীর ক্রমবর্ধমান সাফল্য।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের ভর্তির হার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ, কোনো কোনো ব্যাচে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত
  • 📌 উচ্চশিক্ষায় ছাত্রীদের পাসের হার ৬২.৯৭ শতাংশ, যেখানে ছেলেদের হার ৫৪.৬ শতাংশ
  • 📌 কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণের হার ৪২.৪ শতাংশ, যা ২০২৪ সালে কমে দাঁড়িয়েছে
  • 📌 ৪৬তম বিসিএসে নারী-পুরুষ অনুপাত ছিল ২৯:৭১, চিকিৎসকদের বিশেষ বিসিএসে ৪১:৫৯
  • 📌 অবৈতনিক গৃহস্থালি কাজের অর্থনৈতিক মূল্য জিডিপির ১৮.৯ শতাংশ, যার ৮৫ শতাংশই নারীদের অবদান

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় নারীর অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীর অনুপাত ছিল ৫৩:৪৭। শিক্ষার প্রতিটি স্তরেই মেয়েদের অগ্রগতি দৃশ্যমান। গত বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় মেয়েদের পাসের হার ছিল ৬২.৯৭ শতাংশ, যেখানে ছেলেদের হার ছিল ৫৪.৬ শতাংশ। এই সাফল্য বাল্যবিবাহ কমাতে ভূমিকা রাখছে এবং নারীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত বিষয়গুলোতেও নারীদের অংশগ্রহণ ক্রমশ বাড়ছে।

তবে শ্রেণিকক্ষে সাফল্যের পর কর্মক্ষেত্রে এর বিপরীত চিত্র দেখা যায়। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণের হার ৩৮ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, ২০২৩ সালের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে নারীর শ্রমশক্তি অংশগ্রহণের হার ছিল ৪৬.৫৯ শতাংশ, যা ২০২৪ সালে কমে দাঁড়ায় ৪২.৪ শতাংশে। এই অংশগ্রহণ মূলত পোশাকশিল্পের স্বল্প বেতনের চাকরি ও অনানুষ্ঠানিক খাতে সীমাবদ্ধ। প্রাতিষ্ঠানিক ও ভালো বেতনের চাকরিতে নারীদের অংশগ্রহণ অনেক কম।

প্রতিযোগিতামূলক সরকারি চাকরিতেও এই বৈপরীত্য স্পষ্ট। ৪৬তম বিসিএসে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে নারী-পুরুষের অনুপাত ছিল ২৯:৭১। চিকিৎসকদের ৪৮তম বিশেষ বিসিএসে এই অনুপাত ছিল ৪১:৫৯ এবং শিক্ষকদের ৪৯তম বিশেষ বিসিএসে ছিল মাত্র ১৭:৮৩। প্রশ্ন উঠছে—উচ্চশিক্ষা অর্জনকারী বিপুলসংখ্যক নারী কর্মজীবনে কোথায় হারিয়ে যাচ্ছেন?

"অবৈতনিক গৃহস্থালি ও পরিচর্যার কাজের আর্থিক মূল্য ছিল জিডিপির ১৮.৯ শতাংশের সমান, যার ৮৫ শতাংশই নারীদের অবদান। অথচ প্রচলিত শ্রমশক্তির হিসাবে এর স্থান নেই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নারীরা, ছাত্রীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬২.৯৭ শতাংশ, ৫৪.৬ শতাংশ, ৪২.৪ শতাংশ, ১৮.৯ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖