📌 শাড়ির সঙ্গে মানানসই ব্লাউজ খুঁজে না পেয়ে নিজেই শুরু করেন ব্যবসা। অনলাইন থেকে শুরু করে নিজস্ব কারখানা পর্যন্ত পৌঁছেছেন খাদিজাতুল কোবরা। প্রতিষ্ঠানটির নাম চিত্রাঙ্গদা
শাড়ির সঙ্গে মানানসই ব্লাউজের অভাব থেকেই শুরু হয়েছিল তাঁর উদ্যোগ। নিজের পছন্দের পোশাক তৈরির মধ্য দিয়ে ব্যবসায়িক যাত্রা শুরু করেন খাদিজাতুল কোবরা। প্রতিষ্ঠানটির নাম চিত্রাঙ্গদা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নিজের পছন্দের শাড়ির সঙ্গে মানানসই ব্লাউজ তৈরির অভাব থেকেই শুরু হয় চিত্রাঙ্গদা ব্র্যান্ড
- 📌 ২০২০ সালের জুনে অনলাইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে চিত্রাঙ্গদা
- 📌 খাদিজাতুল কোবরার প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রায় ১৫ জন কর্মী কাজ করছেন
- 📌 প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব ওয়েবসাইট, কারখানা ও বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে ধানমন্ডি ও চট্টগ্রামে
- 📌 চিত্রাঙ্গদার ব্লাউজে লেস, এমব্রয়ডারি ও বিভিন্ন ধরনের কাটের ব্যবহার দেখা যায়
📰 বিস্তারিত
শাড়ির সঙ্গে মানানসই ব্লাউজ খুঁজে না পাওয়ায় নিজেই শুরু করেন ব্যবসা। খাদিজাতুল কোবরা নামের এই নারী উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানটির নাম দিয়েছেন চিত্রাঙ্গদা। তাঁর মতে, ছোটবেলা থেকেই শাড়ি পরতে ভালোবাসতেন তিনি। তখনই লক্ষ করেছিলেন, বাজারে মানানসই ব্লাউজ পাওয়া বেশ কঠিন। নিজেই নকশা করা শুরু করেন তিনি। পরে সেই নকশাই হয়ে ওঠে তাঁর ব্যবসার ভিত্তি।
২০২০ সালের জুনে অনলাইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে চিত্রাঙ্গদা। শুরুতে বাসা থেকেই সব কাজ পরিচালনা করতেন খাদিজা। কাজের পরিধি বাড়তে থাকায় আলাদা জায়গার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। ২০২১ সালে পশ্চিম কাজীপাড়ায় একটি ছোট জায়গা ভাড়া নেন তিনি। পরে সেটিই হয়ে ওঠে চিত্রাঙ্গদার এক্সপেরিয়েন্স জোন। খাদিজা বলেন, ‘ঠিকানা প্রকাশের তিন দিনের মধ্যেই ক্রেতারা আসতে শুরু করেন।’
বর্তমানে চিত্রাঙ্গদার নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে। ধানমন্ডির হাটকাহন ও চট্টগ্রামে রয়েছে বিক্রয়কেন্দ্র। পাশাপাশি রয়েছে নিজস্ব কারখানা। কারখানা, অফিস ও অনলাইন কার্যক্রম মিলিয়ে প্রায় ১৫ জন কাজ করছেন। ব্লাউজের সব নকশাই করেন খাদিজা। তাঁর নকশায় লেস, এমব্রয়ডারি ও বিভিন্ন ধরনের কাটের ব্যবহার দেখা যায়। ব্যাকলেস, ডিপ নেক, প্রিন্সেস কাটসহ নানা ধরনের ব্লাউজ নিয়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ধরনের কাপড় ব্যবহার করা হয় চিত্রাঙ্গদার পোশাকে। ব্লাউজের পাশাপাশি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জের তাঁতের শাড়িও বিক্রি করে তারা।
‘ঠিকানা প্রকাশের তিন দিনের মধ্যেই ক্রেতারা আসতে শুরু করেন। তখন কোনো ডিসপ্লে কর্নার ছিল না। পরে ধীরে ধীরে সেটি তৈরি করা হয়।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পশ্চিম কাজীপাড়া, ধানমন্ডি, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খাদিজাতুল কোবরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!