📅 ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১:৪৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসী মায়ের আত্মত্যাগের স্মৃতিবিজড়িত ‘দ্য লিপ’ পাহাড়ের ইতিহাস

অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসী মায়ের আত্মত্যাগের স্মৃতিবিজড়িত ‘দ্য লিপ’ পাহাড়ের ইতিহাস

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 অস্ট্রেলিয়ার ম্যাকাই অঞ্চলের ‘দ্য লিপ’ পাহাড় আদিবাসী মা কোয়াহার আত্মত্যাগের গল্প বহন করে। ১৮৬৭ সালে শ্বেতাঙ্গদের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে তিনি সন্তানকে কোলে নিয়ে পাহাড় থেকে ঝাঁপ দেন। এই পাহাড় এখন পর্যটকদের কাছে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

ব্রুস হাইওয়ে ধরে ম্যাকাই থেকে উত্তরে যেতে যেতে এক শ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার জাফর মজুমদার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় চিকিৎসক ও প্রবাসী বাংলাদেশি মাসুদ হক, যিনি ‘রুমি ভাই’ নামে পরিচিত। হঠাৎ ডান দিকে চোখ পড়তেই উঁচু পাহাড়টি দ্রুত উল্টো দিকে চলে গেল। তখনই মাসুদ হক বলে উঠলেন, ‘ইশ্, পাহাড়টা পার হয়ে গেলাম! এই পাহাড়ের একটা গল্প আছে।’ তাঁদের গন্তব্য ছিল হুইটসানডে অঞ্চলের আর্লি বিচ নামের পর্যটন এলাকা, যা ম্যাকাই শহর থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অস্ট্রেলিয়ার ম্যাকাই অঞ্চলের ‘দ্য লিপ’ পাহাড় আদিবাসী মা কোয়াহার আত্মত্যাগের ইতিহাস বহন করে
  • 📌 ১৮৬৭ সালে শ্বেতাঙ্গদের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে তিনি সন্তানকে কোলে নিয়ে পাহাড় থেকে ঝাঁপ দেন
  • 📌 পাহাড়টি স্থানীয় আদিবাসীদের কাছে ‘লাফ দেওয়া’ অর্থ বহন করে
  • 📌 আর্লি বিচ থেকে হুইটসানডে দ্বীপপুঞ্জের ৭৪টি পর্যটন দ্বীপে যাওয়া যায়
  • 📌 পাহাড়ের পাদদেশে নির্মিত ভাস্কর্যটি আদিবাসী মায়ের বীরত্বগাথা তুলে ধরে

📰 বিস্তারিত

ম্যাকাই শহর থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত হুইটসানডে অঞ্চলের আর্লি বিচ পর্যটন এলাকা। অফিস খোলার দিন হওয়ায় সেখানে তেমন পর্যটকের ভিড় ছিল না। তবে রাস্তার দুই ধারে হোটেল, রেস্তোরাঁ, বার ও স্যুভেনির শপগুলো পর্যটকদের আকৃষ্ট করছিল। আর্লি বিচকে বলা হয় ‘গেটওয়ে টু দ্য হুইটসানডেজ’, কারণ এখান থেকে ট্যুর বোট, ক্যাটামারান ও ফেরি ভাড়া করে হুইটসানডে দ্বীপপুঞ্জের ৭৪টি পর্যটন দ্বীপে যাওয়া যায়। এমনকি গ্রেট ব্যারিয়ার রিফেও যাওয়া যায় এই স্থান থেকে।

আর্লি বিচে প্রবেশের আগেই ব্রুস হাইওয়ের পাশে দেখা মিলল ‘দ্য লিপ’ নামের পাহাড়টির। ম্যাকাই শহর থেকে প্রায় ২১-২২ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত এই পাহাড় আদিবাসী ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ স্থান। স্থানীয় আদিবাসী মা কোয়াহার বীরত্বগাথা এখানে জড়িয়ে আছে। ইতিহাস অনুযায়ী, ১৮৬৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার ‘ন্যাটিভ পুলিশ’ নামের একটি দল আদিবাসীদের ধাওয়া করে এই পাহাড়ের দিকে নিয়ে যায়। অন্যদের মতো কোয়াহাও ধাওয়া খেয়ে পাহাড়ের চূড়ায় উঠে যান। তাঁর সামনে ছিল খাড়া পাহাড়ের কিনারা, আর পেছনে ছিল সশস্ত্র পুলিশ। তবু তিনি শিশুসন্তানকে কোলে নিয়ে ঝাঁপ দেন পাহাড় থেকে।

কিংবদন্তি অনুযায়ী, পাহাড় থেকে লাফিয়ে পড়ার পর কোয়াহা মারা গেলেও তাঁর শিশুটি বেঁচে যায়। এই ঘটনার পরই পাহাড়টির নাম রাখা হয় ‘দ্য লিপ’। ইতিহাসে এই ঘটনাকে ‘দ্য লিপ ম্যাসাকার’ নামেও উল্লেখ করা হয়েছে, কারণ আদিবাসীদের ওপর দমন-পীড়নের অংশ হিসেবে তাঁদের সন্তানদের কেড়ে নিয়ে শ্বেতাঙ্গ বসতি স্থাপনকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হতো। পরবর্তী সময়ে তাদের ব্যবহার করা হতো গৃহকর্মী বা শ্রমিক হিসেবে।

দ্য লিপ পাহাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে পর্যটকরা দেখতে পান একটি ভাস্কর্য, যেখানে সন্তান কোলে আদিবাসী নারীকে পাহাড় থেকে লাফ দিতে উদ্যত অবস্থায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ভাস্কর্যের পাশেই রয়েছে শত বছরের পুরোনো ‘লিপ হোটেল’, যা এখনো তার আদি কাঠের কাঠামো ধরে রেখেছে। হোটেলের ভেতরে স্থানীয় ইতিহাসের স্মারক নিয়ে গড়া একটি জাদুঘর থাকলেও রাত হয়ে যাওয়ায় তা বন্ধ ছিল।

‘দ্য লিপ শুধু একটি পাহাড় নয়, এটি আদিবাসী মায়ের আত্মত্যাগের গল্প। এই গল্প অস্ট্রেলিয়ার জন্য অতীতের এক অস্বস্তিকর অধ্যায়।’ — ডা. মাসুদ হক

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ম্যাকাই অঞ্চল, অস্ট্রেলিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আদিবাসী মা কোয়াহা, ডা. মাসুদ হক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫০ (কিলোমিটার), ৭৪ (টি দ্বীপ), ২১-২২ (কিলোমিটার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖