📌 ঝিনাইদহের মহেশপুরে তিন মাস ধরে কাদায় বাঁধা ছিল আবদুল আলিমের চারটি মহিষ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর ইউএনও সাজ্জাদ হোসেন মহিষগুলোকে উদ্ধার করেন
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার গোকুলনগর গ্রামে তিন মাস ধরে কাদায় আবদ্ধ ছিল আবদুল আলিমের চারটি মহিষ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর ইউএনও মো. সাজ্জাদ হোসেন মহিষগুলোকে উদ্ধার করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তিন মাস ধরে মহিষ চারটি কাদায় আবদ্ধ ছিল আবদুল আলিমের বাড়ির চারপাশে
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর ইউএনও মহিষগুলোকে উদ্ধার করেন
- 📌 ইউএনও ১৫ দিনের মধ্যে মহিষগুলোর জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির নির্দেশ দেন
- 📌 স্থানীয় পরিবেশকর্মী নাজমুল হাসান বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন
📰 বিস্তারিত
গোকুলনগর গ্রামের আবদুল আলিমের চারটি মহিষ তিন মাস ধরে তার বাড়ির চারপাশের কাদায় আবদ্ধ ছিল। আগে মহিষগুলো মাঠে চরাতে নিয়ে গেলেও বর্ষা মৌসুমে তা সম্ভব হয়নি। ফলে মহিষগুলোকে সারাক্ষণ কাদায় বাঁধা থাকতে হয়। এলাকাবাসী বিষয়টি মেনে নিতে পারছিলেন না।
স্থানীয় পরিবেশকর্মী নাজমুল হাসান মহিষগুলোর দুর্দশার ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। বিষয়টি নজরে আসে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেনের। তিনি গত রোববার সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মহিষগুলোকে কাদা থেকে মুক্ত করেন।
ইউএনও সাজ্জাদ হোসেন মহিষগুলোর জন্য শুকনা জায়গা তৈরি করে দেওয়ার পাশাপাশি ১৫ দিনের মধ্যে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির নির্দেশ দেন। তিনি জানান, মহিষগুলোর প্রতি নিষ্ঠুরতা রোধে প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"আমরা এভাবে প্রাণীগুলোকে কষ্ট না দিয়ে বেচে ফেলতে বলেছিলাম, কিন্তু কথা শোনেনি আলিম। বাড়ির মেয়েরা ভয়ে মহিষগুলোর কাছে যেতে পারেনি, তাই সরানো সম্ভব হচ্ছিল না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গোকুলনগর, মহেশপুর, ঝিনাইদহ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল আলিম, ইউএনও মো. সাজ্জাদ হোসেন, নাজমুল হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিন মাস, ২৪ ঘণ্টা, ১৫ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!