📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মৃন্ময় চক্রবর্তী সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ট্রেনে চেইন টানার অভিযোগে রেল কর্মীরা তাকে হেনস্তা ও মারধর করে জরিমানা করার অভিযোগ উঠেছে। রেল কর্তৃপক্ষ হেনস্তা অস্বীকার করে বলেছে, শিক্ষার্থীকে নিয়ম ভঙ্গের কারণে জরিমানা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলেছে, প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মৃন্ময় চক্রবর্তী সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ট্রেনে চেইন টানার অভিযোগে রেল কর্মীদের হেনস্তা ও মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, রেল কর্মীরা তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও কটূক্তি করার পর জরিমানা করে ছেড়ে দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার রাতে খুলনা থেকে রাজশাহীগামী ট্রেনে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মৃন্ময় চক্রবর্তী সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ট্রেনে চেইন টানার অভিযোগে রেল কর্মীদের হেনস্তা ও মারধর করার অভিযোগ উঠেছে
- 📌 শিক্ষার্থী বলেছেন, চেইন টানার পর রেল কর্মীরা তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত, গালিগালাজ ও হুমকি দিয়েছে
- 📌 রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দাবি, শিক্ষার্থীকে নিয়ম ভঙ্গের কারণে জরিমানা করা হয়েছে, কোনো হেনস্তা হয়নি
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেছেন, প্রমাণ পাওয়া গেলে রেল কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করা হবে
- 📌 গত ২১ জুলাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রসিদ ছাড়া অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বিক্ষোভ হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোনমি অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের ২০২২-২৩ বর্ষের শিক্ষার্থী মৃন্ময় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, তিনি খুলনা থেকে রাজশাহীগামী সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ট্রেনে চেইন টানার অভিযোগে রেল কর্মীদের হেনস্তা ও মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। তিনি বলেছেন, “চেইন টানার পর রেল কর্মীরা আমাদের ধরে ফেলেন। আমরা ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাই এবং রেলের নিয়ম অনুযায়ী জরিমানা বা শাস্তি মেনে নেওয়ার কথা বলি। কিন্তু সেই ভুলের কারণে কোনো শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত, অপমান বা হুমকি দেওয়া হয়নি বলে আমরা মনে করি না।”
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দাবি, শিক্ষার্থীকে কোনো ধরনের হেনস্তা করা হয়নি। মহাপরিচালক (পশ্চিম) ফরিদ আহমেদ বলেছেন, “নিয়ম ভঙ্গ করায় ওই শিক্ষার্থীকে ন্যূনতম জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের হেনস্তা বা মারধর করা হয়নি।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেছেন, “এ পর্যন্ত আমাদের কাছে যে তথ্য, সেটা হচ্ছে বিষয়টি সমাধান হয়েছে। শিক্ষার্থীরা যদি সত্যিই হেনস্তার শিকার হয়ে থাকে, তবে উপযুক্ত প্রমাণসহ প্রয়োজনে রেল কর্তৃপক্ষের কাছে তা জানানো হবে। প্রমাণ পাওয়া গেলে আমরা অবশ্যই রেল কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি করব, তারা যেন এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়।”
এ ঘটনার পূর্বে, গত ২১ জুলাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রসিদ ছাড়া অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে প্রায় ১০ ঘণ্টা রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ হয়েছিল। শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবি জানিয়েছিলেন, যার মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে সব দূরপাল্লার ট্রেনের যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করার দাবিও ছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহীগামী পদ্মা এক্সপ্রেস, সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ও তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেবে বলে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল।
"চেইন টানার পর রেল কর্মীরা আমাদের ধরে ফেলেন। আমরা ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাই এবং রেলের নিয়ম অনুযায়ী জরিমানা বা শাস্তি মেনে নেওয়ার কথা বলি। কিন্তু সেই ভুলের কারণে কোনো শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত, অপমান বা হুমকি দেওয়া হয়নি বলে আমরা মনে করি না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন, খুলনা থেকে রাজশাহীগামী সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ট্রেন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মৃন্ময় চক্রবর্তী (শিক্ষার্থী), ফরিদ আহমেদ (রেলওয়ে মহাপরিচালক), মাহবুবুর রহমান (বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২২-২৩ বর্ষের শিক্ষার্থী, ২১ জুলাই, ১০ ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!