📌 বিশ্বের মর্যাদাপূর্ণ রিবা ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ২০২৬-এর সংক্ষিপ্ত তালিকায় বাংলাদেশের দুটি স্থাপত্য প্রকল্প — ঢাকার ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও রংপুরের গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি — স্থান পেয়েছে। বিজয়ী প্রকল্পের নাম ১৫ অক্টোবর ঘোষণা করা হবে
বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্থাপত্য পুরস্কার রিবা ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ২০২৬-এর সংক্ষিপ্ত তালিকায় বাংলাদেশের দুটি স্থাপত্য প্রকল্পের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ঢাকার ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও রংপুরের কারুপণ্য রংপুর লিমিটেডের গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি এই দুটি প্রকল্প। আজ বৃহস্পতিবার দ্য রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব ব্রিটিশ আর্কিটেক্টস (রিবা) এই পুরস্কারের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশের দুটি স্থাপত্য — ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকার ক্যাম্পাস ও রংপুরের গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি — রিবা ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ২০২৬-এর সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পেয়েছে।
- 📌 বিশ্বের চারটি প্রকল্পের মধ্যে দুটি বাংলাদেশের — বাকি দুটি বেলজিয়ামের রয়্যাল বেলজ ও জেড৩৩ প্রকল্প।
- 📌 জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর দৃষ্টান্ত প্রদর্শন করেছে এই প্রকল্পগুলো। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে সবুজায়নের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়েছে।
- 📌 গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরিতে কর্মীদের সুস্থতা ও কর্মপরিবেশের উন্নয়নে প্রাকৃতিক বাতাস ও আলোর ব্যবহার করা হয়েছে।
- 📌 বিজয়ী প্রকল্পের নাম ঘোষণা হবে ১৫ অক্টোবর।
📰 বিস্তারিত
রিবা ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ প্রতি দুই বছর পরপর দেওয়া হয়। এবার পঞ্চমবারের মতো এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে। রিবার পক্ষ থেকে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই প্রকল্পগুলো দেখিয়েছে কীভাবে চিন্তাশীল স্থাপত্য নকশা মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে উন্নত করতে পারে এবং পরিবর্তনশীল জলবায়ুর সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের নকশা ঘনবসতিপূর্ণ ঢাকার নগর পরিবেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একটি নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। এই ক্যাম্পাসে শিক্ষা, পারস্পরিক যোগাযোগ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য বিভিন্ন পরিসর তৈরি করা হয়েছে। সবুজায়নের মাধ্যমে ক্যাম্পাসটি জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে।
অপরদিকে, গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরিতে কারখানাটিকে শুধু কাজের জায়গা হিসেবে নয়, কর্মীদের সুস্থতা ও সম্প্রদায়ের জন্য একটি পরিসর হিসেবে নতুনভাবে নকশা করা হয়েছে। এখানে প্রাকৃতিক বাতাস ও আলোর ব্যবহার করে যান্ত্রিক শীতাতপনিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনা হয়েছে। কর্মীদের অভিজ্ঞতা ও সুস্থতা নকশার কেন্দ্রে রেখে এই প্রকল্প দেখিয়েছে, শিল্পস্থাপত্য কীভাবে শহরের পুনরুজ্জীবনে ভূমিকা রাখতে পারে।
"চিন্তাশীল নকশা কীভাবে মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে উন্নত করার পাশাপাশি পরিবর্তনশীল জলবায়ুর সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে, তা দেখিয়েছে এই প্রকল্পগুলো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, রংপুর, বেলজিয়াম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কর্মীরা, মানুষের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!