📌 কক্সবাজারে নির্বিচারে সরকারি পাহাড় কাটায় ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ছে। গত ১৩ বছরে জেলাটিতে ভূমিধসে ৩৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রভাবশালী চক্র রোহিঙ্গা শ্রমিকদের দিয়ে পাহাড় কেটে সমতল ভূমিতে পরিণত করছে। প্রশাসনের দুর্বল তৎপরতায় আইনের শাসন প্রশ্নবিদ্ধ
কক্সবাজারের সরকারি পাহাড়গুলো নির্বিচারে কাটায় ভূমিধসের ঝুঁকি ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত মাসে জেলাটিতে ভূমিধসে ২৯ জনের মৃত্যু এখনো শোকাবহ স্মৃতি হিসেবে রয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় কাটার বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করে আসছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কক্সবাজারের অন্তত ১০টি সরকারি পাহাড় নির্বিচারে কাটা হচ্ছে প্রভাবশালী চক্রের মাধ্যমে
- 📌 গত ১৩ বছরে জেলাটিতে ভূমিধসে মৃত্যু হয়েছে ৩৭০ জনের
- 📌 বাদশাঘোনা এলাকায় দেড় বছরে পাহাড় কেটে চার শতাধিক বসতি নির্মাণ করা হয়েছে
- 📌 পাহাড় কাটার কারণে শহরের নালা-ড্রেন ভরাট হয়ে তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
প্রথম আলোর প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে যে, কক্সবাজার শহর ও এর আশপাশের সরকারি পাহাড়গুলো নির্বিচারে কাটা হচ্ছে। প্রভাবশালী চক্র রোহিঙ্গা শ্রমিকদের ব্যবহার করে রাতের আঁধারে পাহাড় কেটে সমতল ভূমিতে পরিণত করছে। সেই মাটি বিক্রি করা হচ্ছে এবং সেখানে বসতি ও হোটেল-রিসোর্ট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় কাটার বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করে আসছেন।
গত মাসে কক্সবাজারে ভূমিধসে ২৯ জনের মৃত্যু এখনো শোকাবহ স্মৃতি হিসেবে রয়ে গেছে। গত ১৩ বছরে জেলাটিতে ভূমিধসে মৃত্যু হয়েছে ৩৭০ জনের। পাহাড় কাটার কারণে ভূমিধসের ঘটনা বাড়ছে। এছাড়া পাহাড়ের গাছপালা ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস হয়ে বাস্তুতন্ত্র বিনষ্ট হচ্ছে।
প্রশাসনের দুর্বল তৎপরতার কারণে আইনের শাসন প্রশ্নবিদ্ধ। প্রায় রাতেই পাহাড় কাটা হয় বলে অভিযান চালানো সম্ভব হয় না। বিভিন্ন সময় পাহাড় কাটার কারণে মামলা হলেও সেই মামলাগুলোর অগ্রগতি হয় সামান্যই। জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করলে তাঁরা বের হয়ে আবার একই কাজে জড়ান।
"পাহাড় রক্ষার সঙ্গে পরিবেশ জড়িত, নাগরিকের জীবনের সুরক্ষার প্রশ্নও জড়িত। তবে আইনের হাত যেন কেবল গরিব শ্রমিক পর্যন্তই না পৌঁছায়, বরং সেটা যেন পুরো সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে সক্ষম হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিশেষজ্ঞরা, প্রভাবশালী চক্র
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ জন, ১৩ বছর, ৩৭০ জন, ১০টি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!