📅 ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:১২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকার সৌন্দর্য নষ্ট করছে নিয়ন্ত্রণহীন বিজ্ঞাপন: দৃষ্টিকটু পোস্টার-ব্যানার ছড়িয়ে পড়েছে সারা শহরে

ঢাকার সৌন্দর্য নষ্ট করছে নিয়ন্ত্রণহীন বিজ্ঞাপন: দৃষ্টিকটু পোস্টার-ব্যানার ছড়িয়ে পড়েছে সারা শহরে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার রাজপথে দৃষ্টিকটু পোস্টার-ব্যানার ও বিজ্ঞাপনের আড়ালে শহরের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কোচিং সেন্টার থেকে শুরু করে রাজনৈতিক প্রচারণা পর্যন্ত সারা শহরে নিয়ন্ত্রণহীন বিজ্ঞাপন ছড়িয়ে পড়েছে। আইন লঙ্ঘন করেও পোস্টার লাগানো হচ্ছে, যা সিটি করপোরেশনকে চ্যালেঞ্জ করছে

ঢাকার সড়কপথে দৃষ্টিকটু পোস্টার-ব্যানার ও বিজ্ঞাপনের আড়ালে শহরের সৌন্দর্য ধ্বংসের পথে। কবি শঙ্খ ঘোষের বিখ্যাত কথা ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’ আজ ঢাকার জন্য সত্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে মেট্রোরেলের পিলার পর্যন্ত সারা শহর জুড়ে পোস্টার ও ব্যানার ছড়িয়ে পড়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কোচিং সেন্টার, রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান — সবাই নিজেদের প্রচারণা ছড়িয়ে দিচ্ছে। এতে শহরের দৃশ্যদূষণ বেড়ে যাচ্ছে এবং আইন লঙ্ঘনও চলছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঢাকার শাহবাগ, ফার্মগেট, রামপুরা, হাজারীবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় পোস্টার-ব্যানার ছড়িয়ে পড়েছে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে।
  • 📌 শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টারগুলোর দেয়াল ও বৈদ্যুতিক খুঁটিতে পোস্টার লাগানোর পরিমাণ সর্বোচ্চ — বিশেষত রামপুরা থেকে মালিবাগ পর্যন্ত সড়কে ইউসিসি ও স্কলার্সের পোস্টার দেখা যায়।
  • 📌 ‘দেয়াললিখন ও পোস্টার লাগানো (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১২’ অনুযায়ী পোস্টার লাগানোর জন্য নির্ধারিত স্থান ছাড়া অন্য জায়গায় লাগানো নিষিদ্ধ, কিন্তু তা মানা হচ্ছে না। আইনের ৬ ধারায় অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
  • 📌 ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন পোস্টার সরিয়ে ফেললেও, নতুন করে আবার লাগানো হচ্ছে। বর্তমানে জরিমানা করা হচ্ছে না, কিন্তু ভবিষ্যতে জরিমানা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
  • 📌 নগর-পরিকল্পনাবিদ ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়ন্ত্রণহীন বিজ্ঞাপন দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে শহরের দৃশ্যমান পরিবেশে।

📰 বিস্তারিত

ঢাকার সড়কপথে দৃষ্টিকটু পোস্টার-ব্যানার ও বিজ্ঞাপনের আড়ালে শহরের সৌন্দর্য ধ্বংসের পথে। কবি শঙ্খ ঘোষের বিখ্যাত কথা ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’ আজ ঢাকার জন্য সত্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে মেট্রোরেলের পিলার পর্যন্ত সারা শহর জুড়ে পোস্টার ও ব্যানার ছড়িয়ে পড়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কোচিং সেন্টার, রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান — সবাই নিজেদের প্রচারণা ছড়িয়ে দিচ্ছে। এতে শহরের দৃশ্যদূষণ বেড়ে যাচ্ছে এবং আইন লঙ্ঘনও চলছে।

শাহবাগ, ফার্মগেট, পুরানা পল্টন, রামপুরা, হাজারীবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় পোস্টার-ব্যানার ছড়িয়ে পড়েছে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে। অনেক জায়গায় পুরোনো পোস্টার না খুলেই নতুন পোস্টার লাগানো হচ্ছে, ফলে কাগজের পুরু স্তর তৈরি হয়েছে। রামপুরা থেকে মালিবাগ পর্যন্ত বড় রাস্তায় থাকা প্রায় প্রতিটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং সেন্টার ইউসিসির পোস্টার লাগানো হয়েছে। ফার্মগেটে ফুটওভারব্রিজ-সংলগ্ন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পিলারে উদ্ভাসের পোস্টার দেখা গেছে।

ফার্মগেট এলাকায় পোস্টার লাগানোর বিষয়ে আল নোমান নামের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলেন, ‘কোচিং সেন্টারগুলো যেন প্রতিযোগিতা করে নিজেদের পোস্টার লাগিয়েছে। বর্তমানে অনলাইনে প্রচারের সুযোগ থাকায় এভাবে সৌন্দর্যহানি করে দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার না লাগালেও পারত তারা।’ তবে কোনো কোচিং সেন্টার কর্তৃপক্ষ মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে একটি কোচিং সেন্টারের মার্কেটিং বিভাগের কর্মকর্তা বলেন, ‘নিয়ম মেনে বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য পর্যাপ্ত বিলবোর্ড না থাকায় এ রকম হচ্ছে।’

‘দেয়াললিখন ও পোস্টার লাগানো (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১২’ অনুযায়ী নির্ধারিত স্থান ছাড়া অন্য কোথাও পোস্টার লাগানো নিষিদ্ধ। আইনের ৬ ধারায় অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে সিটি করপোরেশন জানায়, ‘আমরা পোস্টার সরিয়ে ফেলি, কিন্তু নতুন করে আবার লাগানো হচ্ছে। আপাতত জরিমানা করা হচ্ছে না, ভবিষ্যতে জরিমানা করার পরিকল্পনা রয়েছে।’

"আমাদের পোস্টার লাগানোর নির্ধারিত বিলবোর্ডের সংখ্যা পর্যাপ্ত নয়। যেগুলো আছে, সেগুলোও ভাড়া দেওয়া হয়েছে।"

নগর-পরিকল্পনাবিদ ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়ন্ত্রণহীন বিজ্ঞাপন ও প্রচারণার উপকরণ দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে শহরের দৃশ্যমান পরিবেশে। তারা বলছেন, রাজধানীর দৃশ্যমান অবকাঠামোও নাগরিক সেবা ও চলাচলের অংশ। এসব জায়গা যখন ব্যক্তিগত বা বাণিজ্যিক প্রচারণার মাধ্যম হয়ে ওঠে, তখন শহরের সামগ্রিক নান্দনিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার শাহবাগ, ফার্মগেট, রামপুরা, হাজারীবাগ, মালিবাগ, পুরানা পল্টন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শঙ্খ ঘোষ (কবি), আল নোমান (শিক্ষার্থী), মো. জাকির হোসেন (ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা)
  • 📌 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: আইনের ৬ ধারা (অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড), ৩ ও ৪ ধারা (অপরাধ হিসেবে গণ্য)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖