📅 ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:১২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

খালেদ মাহমুদ সুজন: 'গতিদানব' বলে ট্রোল করলেও আমি রাগ করি না, কারণ আমার বোলিং গতি ছিল ১৩৭ কিমি!

খালেদ মাহমুদ সুজন: 'গতিদানব' বলে ট্রোল করলেও আমি রাগ করি না, কারণ আমার বোলিং গতি ছিল ১৩৭ কিমি!

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খালেদ মাহমুদ সুজন বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে 'গতিদানব' বলে ট্রোল করা হলেও তিনি সমস্যা দেখেন না। তিনি জানান, বাংলাদেশের অধিনায়ক হিসেবে ১৩৫-১৩৭ কিমি গতিতে বল করেছেন

খালেদ মাহমুদ সুজন, বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক ও মিডিয়াম পেসার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে 'গতিদানব' বলে ট্রোলের শিকার হলেও তা নিয়ে কোনো সমস্যা দেখাননি। তিনি বলেছেন, তার বোলিংয়ের গতি ছিল ১৩৫ থেকে ১৩৭ কিলোমিটার, তাই তার প্রতি এমন ট্রোলের কোনো নেতিবাচক প্রভাব নেই।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১৩৫-১৩৭ কিমি গতিতে বল করেছিলেন সুজন**: বাংলাদেশের অধিনায়ক হিসেবে তিনি ঐ সময়ে খুব কম খেলোয়াড়ের মতোই এত গতিতে বল করেছেন বলে দাবি করেছেন।
  • 📌 **ফেসবুক ছাড়াই ট্রোলের শিকার**: সুজন বলেছেন, তার ফেসবুক নেই, তাই ফ্রেন্ডদের ট্রোলের কোনো প্রভাব পড়েনি।
  • 📌 **চামিন্দা ভাসের তুলনা দিয়েছেন**: তিনি উল্লেখ করেছেন, চামিন্দা ভাস ১৪০ থেকে ১১৫ গতিতে বলেছেন, তাই তার প্রতি ট্রোলের কোনো কারণ নেই।
  • 📌 **স্লোয়ারে মনোনিবেশের পর বোলিং ধরন বদলেছেন**: ক্যারিয়ারের শেষ দিকে তিনি স্লোয়ারে বেশি মনোনিবেশ করেছেন বলে জানান।

📰 বিস্তারিত

খালেদ মাহমুদ সুজন, যিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে মিডিয়াম পেস বোলিংয়ের জন্য পরিচিত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে 'গতিদানব' বলে ট্রোলের শিকার হলেও তা নিয়ে তিনি কোনো রাগ প্রকাশ করেননি। তিনি বলেছেন, তার বোলিংয়ের সর্বোচ্চ গতি ছিল ১৩৫ থেকে ১৩৭ কিলোমিটার। তিনি জানান, বাংলাদেশে তখন খুব কম খেলোয়াড়ই এত গতিতে বল করতে পারতেন।

সুজন এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে বলেন, 'আমার ফেসবুক নেই। মাঝে মাঝে ইউটিউবে দেখতাম। ফ্রেন্ডরা আমার সঙ্গে মজা করত। তারা বলত, তোর নাম 'গতিদানব'। আমি বলতাম, আমি তো গতিদানবই! সমস্যা কোথায়?' তিনি আরও বলেন, 'আমি ১৩৭ কিমি গতিতে বল করেছি। যারা আমাকে ট্রোল করে তারা মনে হয় আমার খেলা দেখেছে অনেক পরে।'

ক্যারিয়ারের শেষ দিকে সুজন তার বোলিংয়ের ধরন পরিবর্তন করেন। তিনি বলেন, 'যখন পেস কমিয়ে কাটার-স্লোয়ারে মনোনিবেশ করেছি, তখন স্লোয়ার মারতাম বেশি। চামিন্দা ভাস ১৪০ থেকে ১১৫ গতিতে বল করেছেন, তাই তাদের কথায় রাগ করার কিছু নেই।'

"আমি রাগ করে কী করবো? কথায় আছে না, রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খালেদ মাহমুদ সুজন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩৫-১৩৭ কিমি (বোলিং গতি), ১৪০-১১৫ কিমি (চামিন্দা ভাসের গতি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖