📌 পার্বত্য চট্টগ্রামের সন্ত্রাস ও বিচ্ছিন্নতাবাদ দমনে এবং অঞ্চলের উন্নয়ন নিশ্চিতকরণে প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে তিনটি উচ্চ-ক্ষমতা কমিটি গঠন করেছে সরকার। কমিটিগুলো পার্বত্য অঞ্চলের নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন করবে
পার্বত্য চট্টগ্রামের সন্ত্রাস ও বিচ্ছিন্নতাবাদ দমন এবং অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সরকার তিনটি উচ্চ-ক্ষমতা কমিটি গঠন করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটিগুলো পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন, সন্ত্রাস দমন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন করবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে** পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক জাতীয় কমিটি গঠিত; সদস্য হিসেবে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীসহ ১৫ জন মন্ত্রী ও কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত
- 📌 **স্বরাষ্ট্রসচিবের নেতৃত্বে** পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক নির্বাহী কমিটি; সদস্য হিসেবে পুলিশ মহাপরিদর্শক, এনএসআই মহাপরিচালকসহ ১২ জন কর্মকর্তা
- 📌 **পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির** চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে পরামর্শক কমিটি; সদস্য হিসেবে পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ ৭ জন
- 📌 **দুই মাসের মধ্যে** পরামর্শক কমিটি নির্বাহী কমিটিকে সুপারিশ দেবে; নির্বাহী কমিটি **তিন মাসের মধ্যে** জাতীয় কর্মকৌশলের খসড়া প্রণয়ন করবে
- 📌 **পার্বত্য অঞ্চলের** সন্ত্রাস দমন, সীমান্ত নিরাপত্তা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিতকরণের জন্য কর্মকৌশল প্রণয়নের দায়িত্ব
📰 বিস্তারিত
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধানের জন্য তিনটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রথমত, **পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক জাতীয় কমিটি** গঠিত হয়েছে, যার সভাপতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই কমিটিতে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী, ভূমি মন্ত্রী, আইন মন্ত্রী, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রীসহ মন্ত্রীদের পাশাপাশি অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, তিন পার্বত্য জেলা থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) মহাপরিচালকসহ ১৫ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
দ্বিতীয়ত, **পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক নির্বাহী কমিটি** গঠিত হয়েছে, যার সভাপতি স্বরাষ্ট্রসচিব। এই কমিটিতে ভূমি, আইন, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক, এনএসআই মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক, ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনারসহ ১২ জন কর্মকর্তা সদস্য হিসেবে যোগদান করেছেন। কমিটির প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে ডিজিএফআই মহাপরিচালক এবং সদস্যসচিব হিসেবে সোশ্যাল স্ট্যাবিলিটি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর পরিচালক দায়িত্ব পালন করবেন।
তৃতীয়ত, **পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরামর্শক কমিটি** গঠিত হয়েছে, যার সভাপতি পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির চেয়ারম্যান। এই কমিটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের চেয়ারম্যান, ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরণার্থী প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসন টাস্কফোর্স কমিটির চেয়ারম্যান, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাম্যাচিং, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ম্রাসা থোয়াই মারমা সদস্য হিসেবে যোগদান করেছেন।
"পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন, নিরাপত্তা বিধান, সন্ত্রাস দমন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য আগামী দুই মাসের মধ্যে সুপারিশ দিতে বলা হয়েছে পরামর্শক কমিটিকে। এই সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাহী কমিটি তিন মাসের মধ্যে জাতীয় কর্মকৌশলের খসড়া প্রণয়ন করবে এবং জাতীয় কমিটি চূড়ান্ত করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পার্বত্য চট্টগ্রাম (বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রসচিব, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির চেয়ারম্যান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩টি কমিটি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন, ২ মাস (পরামর্শক কমিটি), ৩ মাস (নির্বাহী কমিটি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!