📌 টঙ্গীর আব্দুল্লাহপুর-টঙ্গী সড়কে ভাইরাল হওয়া তরুণীর মৃত্যু সংক্রান্ত গুজব উড়িয়ে দিয়ে তিনি নিজেই থানায় উপস্থিত হন। তিনি জানান, পারিবারিক চাপ সামলাতে মদ্যপান করে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন
টঙ্গী পশ্চিম থানায় উপস্থিত হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মৃত্যু সংক্রান্ত গুজবের জবাব দিয়েছেন ভাইরাল হওয়া তরুণী। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি মারা যাননি এবং নিজেই মদ্যপান করে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 টঙ্গীর আব্দুল্লাহপুর-টঙ্গী সড়কে ভাইরাল হওয়া তরুণী নিজেই থানায় উপস্থিত হন মৃত্যু গুজব খণ্ডন করতে
- 📌 তিনি দাবি করেন, পারিবারিক চাপ সামলাতে বারে গিয়ে মদ্যপান করে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন
- 📌 তরুণীর সাবেক স্বামীই তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ তার
- 📌 টঙ্গী পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক আজহার ইসলাম ঘটনার বিবরণ নিশ্চিত করেন
📰 বিস্তারিত
শনিবার দুপুরের পর টঙ্গী পশ্চিম থানায় উপস্থিত হয়ে তরুণী জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি নিজের জীবিত অবস্থা সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করতে চেয়েছেন। তিনি বলেন, "আমি মরিনি। আমার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।"
তরুণীর বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি পারিবারিক চাপ সামলাতে বাসা থেকে বের হয়ে জসীমউদ্দীনের একটি বারে যান এবং সেখানে মদ্যপান করেন। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তার চাচা তাকে নিয়ে যান। তিনি স্পষ্ট জানান, তাকে কেউ জোর করে মদ্যপান করায়নি।
টঙ্গী পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আজহার ইসলাম জানান, তরুণীকে মোটরসাইকেলে অচেতন অবস্থায় দেখা গিয়েছিল। পরে তিনি থানায় এসে নিজের অবস্থান সম্পর্কে সবাইকে জানান। এসআই আজহার ইসলাম বলেন, তরুণী তার বোনকে নিয়ে রাগ করে বের হয়ে যান এবং পরে একটি বারে মদ্যপান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
এর আগে বুধবার রাত আনুমানিক ৩টা ১৫ থেকে ৩টা ২০ মিনিটের দিকে আব্দুল্লাহপুর-টঙ্গী সড়কে একটি মোটরসাইকেলে দুই যুবকের মাঝে তরুণীকে অচেতন অবস্থায় দেখা যায়। ঘটনার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন মুফতি মনোয়ার হোসেন। পরে ছবিগুলো ভাইরাল হয়ে যায় এবং মৃত্যু সংক্রান্ত গুজব ছড়িয়ে পড়ে।
"আমাকে কেউ জোর করে মদ খাওয়ায়নি। আমি নিজেই মদ খেয়েছি। পরে অসুস্থ হয়ে যাই। আমার চাচাকে ফোন দিলে তিনি এসে আমাকে নিয়ে যান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আব্দুল্লাহপুর-টঙ্গী সড়ক, টঙ্গী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভাইরাল তরুণী, মুফতি মনোয়ার হোসেন, এসআই আজহার ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ আগস্ট, ২৯ আগস্ট, রাত ৩টা ১৫-২০ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!