📌 খুলনার কয়রা উপজেলার একটি পরিবারে দুধের অভাবে কাঁদছিল ৭ মাসের শিশু হুসাইন। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা: জুবাইদা রহমানের উদ্যোগে শিশুটির চিকিৎসা ও পরিবারের সহায়তা করা হয়। অসুস্থ বাবা-মা ও বৃদ্ধা দাদির ভিক্ষা-ভোগের জীবন থেকে এই পরিবারকে উদ্ধার করে ফাউন্ডেশন
খুলনার কয়রা উপজেলার শ্রীফলতলা গ্রামের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে একটি পরিবারের ৭ মাসের শিশু হুসাইন দুধের অভাবে কাঁদছিল। অসুস্থ বাবা-মা ও বৃদ্ধা দাদির ভিক্ষা-ভোগের জীবনে শিশুটির চিকিৎসা ও দুধের ব্যবস্থা করা সম্ভব ছিল না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই অসহায় অবস্থার খবর পেয়ে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা: জুবাইদা রহমানের উদ্যোগে শিশু ও তার পরিবারের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনার কয়রা উপজেলার শ্রীফলতলা গ্রামের ৭ মাসের শিশু হুসাইন মায়ের বুকের দুধ না পেয়ে ক্ষুধায় কাঁদছিল
- 📌 অসুস্থ বাবা-মা ও বৃদ্ধা দাদির ভিক্ষা-ভোগের জীবনে শিশুটির চিকিৎসা ও দুধের ব্যবস্থা করা সম্ভব ছিল না
- 📌 শিশুটির মধ্যে অপুষ্টি, ত্বকের সমস্যা ও মুখে ক্যান্ডিডিয়াসিসের উপসর্গ দেখা দেয়
- 📌 জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা: জুবাইদা রহমানের উদ্যোগে শিশু ও পরিবারের চিকিৎসা ও সহায়তা ব্যবস্থা করা হয়
- 📌 ফাউন্ডেশনের সদস্য ডা: এম আর হাসানের তত্ত্বাবধানে শিশু ও তার বাবা-মাকে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়
- 📌 ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট তারেক রহমান ও ডা: জুবাইদা রহমানের উদ্যোগে শিশু ও পরিবারের চিকিৎসা ও দুধের ব্যবস্থা করা হয়
📰 বিস্তারিত
খুলনার কয়রা উপজেলার বাগালী ইউনিয়নের শ্রীফলতলা গ্রামের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত একটি পরিবারে ৭ মাসের শিশু হুসাইনের দুধের অভাবে কষ্ট হচ্ছিল। অসুস্থ বাবা-মা ও বৃদ্ধা দাদির ভিক্ষা-ভোগের জীবনে শিশুটির চিকিৎসা ও দুধের ব্যবস্থা করা সম্ভব ছিল না। শিশুটির মায়ের বুকের দুধ না পাওয়ায় পরিবার অনুপযুক্তভাবে লবণ পানি খাওয়াতে বাধ্য হয়েছিল। এর ফলে শিশুতে অপুষ্টি, ত্বকের সমস্যা ও মুখে ক্যান্ডিডিয়াসিসের উপসর্গ দেখা দেয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই অসহায় অবস্থার খবর পেয়ে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা: জুবাইদা রহমানের উদ্যোগ নেয়া হয়। তিনি ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর (প্রোগ্রাম) অধ্যাপক ডা: শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহকে নির্দেশ দেন। তার নির্দেশে ফাউন্ডেশনের সদস্য ডা: এম আর হাসানের তত্ত্বাবধানে শিশু হুসাইন ও তার বাবা-মাকে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে শিশুটির চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় দুধ এবং পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা করা হয়।
বৃদ্ধা দাদি বলেন, ‘আমি ভিক্ষা করে সংসার চালাই। বাচ্চাটার দুধ কেনার সামর্থ্য আমার নেই। আমি আমার নাতিটাকে বাঁচাতে চাই।’ শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে অসহায় সময়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট তারেক রহমান ও ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা: জুবাইদা রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। ফাউন্ডেশনের সদস্য ডা: এম আর হাসান বলেন, ‘হুসাইনের চিকিৎসা ও পুষ্টির ঘাটতি পূরণে প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’
"আমি ভিক্ষা করে সংসার চালাই। বাচ্চাটার দুধ কেনার সামর্থ্য আমার নেই। আমি আমার নাতিটাকে বাঁচাতে চাই"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনার কয়রা উপজেলা, শ্রীফলতলা গ্রাম, বাগালী ইউনিয়ন, ৩ নম্বর ওয়ার্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা: জুবাইদা রহমান, তারেক রহমান, ডা: এম আর হাসান, বৃদ্ধা দাদি, শিশু হুসাইন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ মাস বয়স, ৩ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!