📌 ঠাকুরগাঁওতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, ‘আমার ভালোবাসার ঋণ শোধ করা সম্ভব নয়’। তিনি এলাকার উন্নয়ন, সহিষ্ণু রাজনীতি ও মাদকবিরোধী কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেছেন
ঠাকুরগাঁওতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দুই দিনের সরকারি সফরের প্রথম দিনে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, ‘আপনারা আমাকে যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তা শোধ করতে পারব না। এই ঋণ শোধ করার নয়’। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো ঠাকুরগাঁও সফরে এসেছেন তিনি। বেলা একটায় পৌঁছান রাষ্ট্রপতি, যিনি বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড়মাঠে নাগরিকদের দ্বারা সংবর্ধিত হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁওতে প্রথম সরকারি সফরে এসেছেন এবং বলেছেন, ‘আমার ভালোবাসার ঋণ শোধ করা সম্ভব নয়’
- 📌 সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত জনগণ করতালি দিয়ে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান, তিনি তাদের জবাব দিয়েছেন দুই হাত তুলে
- 📌 রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ‘আমরা আর রক্তপাত চাই না’ এবং গণতন্ত্রের সহিষ্ণুতা ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সহযোগিতা চেয়েছেন
- 📌 তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ, বিমানবন্দর, স্পোর্টস ভিলেজ ও তথ্য কমপ্লেক্স গড়ে তোলার কাজ চলছে’
- 📌 মাদকবিরোধী কর্মসূচির আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘মাদকমুক্ত জেলা হিসেবে ঠাকুরগাঁওকে গড়ে তুলতে কাজ শুরু করো’
📰 বিস্তারিত
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড়মাঠে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, গীতা ও বাইবেল পাঠের মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর রাষ্ট্রপতির জীবন নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র ‘শিকড় থেকে শিখরে’ প্রদর্শিত হয়। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠানের শেষ অংশে অনুষ্ঠিত হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের প্রবীণ শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মনোতোষ কুমার দে, ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক শঙ্কর কুমার ঘোষ, শিক্ষক হাফেজ আব্দুর রশিদ, নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর প্রতিনিধি আরতি মার্ডি, আখচাষি ইউনুস আলী, জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধান এবং জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ বরাবরই পিছিয়ে পড়া। এলাকার বেশির ভাগ মানুষ দরিদ্র। তবে মানুষের ভালোবাসা ও আস্থার প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আমি যখনই আপনাদের কাছে এসেছি, আপনারা আমাকে ভালোবাসা দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন। আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। আমি চেষ্টা করেছি সেই আস্থার মূল্য দিতে।’
ঠাকুরগাঁওকে শান্তিপূর্ণ এলাকা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখানকার মানুষ ঝামেলা পছন্দ করেন না। এই পরিবেশ ধরে রাখতে হবে। গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় জিনিস হলো সহিষ্ণুতা। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি অনুরোধ থাকবে—কোনো হানাহানি নয়, কোনো সংঘর্ষ নয়। আসুন, আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে রাজনীতি করি।’
রাষ্ট্রপতি ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঠাকুরগাঁওয়ে এসে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, মেডিক্যাল কলেজ, বিমানবন্দর চালু, স্পোর্টস ভিলেজ, তথ্য কমপ্লেক্স, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কার্যালয় ও আঞ্চলিক সমবায় ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার কাজ চলছে।’
তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমরা মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও। মাদক বর্জন করো। মাদকমুক্ত জেলা হিসেবে ঠাকুরগাঁওকে গড়ে তুলতে কাজ শুরু করো।’
"আমি যখনই আপনাদের কাছে এসেছি, আপনারা আমাকে ভালোবাসা দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন। আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। আমি চেষ্টা করেছি সেই আস্থার মূল্য দিতে। আমরা আর রক্তপাত চাই না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ দিনের সরকারি সফর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!