📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়া

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান মূল
এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়া

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, এক-এগারোর সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্যাতনের তথ্য সাক্ষীদের বর্ণনা থেকে পাওয়া গেছে। তিনি ডিজিএফআইয়ের জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল পরিদর্শনের পর এ তথ্য প্রকাশ করেন

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, এক-এগারোর সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর চালানো নির্যাতনের তথ্য বিভিন্ন সাক্ষীর বর্ণনা থেকে পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে এসব তথ্য বিচারে প্রতিফলিত হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 এক-এগারোর সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং তাঁর ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল।
  • 📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম ডিজিএফআইয়ের কমপ্লেক্সে অবস্থিত জেআইসি পরিদর্শন করেছেন।
  • 📌 জেআইসি ছিল একটি টর্চার সেল, যেখানে বন্দীদের অমানবিকভাবে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস আটকে রাখা হতো।
  • 📌 চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সদস্য সরকারের অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য আয়নাঘর নামে পরিচিত এই টর্চার সেল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

📰 বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম শনিবার ঢাকা সেনানিবাসে ডিজিএফআই কমপ্লেক্সে অবস্থিত জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘এক-এগারোর সময় আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্যাতনের তথ্য বিভিন্ন সাক্ষীর বর্ণনায় পাওয়া গেছে। পর্যায়ক্রমে এগুলো বিচারে রিফ্লেকশন হবে।’

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ‘আমরা যে জেআইসি পরিদর্শন করেছি, এটি ছিল মানুষকে ধরে এনে বন্দী করে রেখে তাঁদের ওপর অত্যাচার ও নির্যাতনের একটি প্রতিষ্ঠান। পরবর্তী সময়ে এটি “আয়নাঘর” নামে পরিচিতি পায়। সেখানে বন্দীদের অমানবিকভাবে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর আটকে রাখা হতো। সেই নির্মম চিত্র আজকের পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে কিছুটা অনুভব করা গেছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের কোনো নাগরিক যদি কোনো অপরাধ করে থাকেন, তাঁকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে এবং বিচারের সম্মুখীন করতে হবে। কিন্তু বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার যাতে কোনো নাগরিক না হন। কেউ যেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্বারা অহেতুক হয়রানির শিকার না হন।’

‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সংখ্যক অতি উৎসাহী সদস্য সরকারের কিছু অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য এই আয়নাঘর–নামীয় টর্চার সেলগুলো বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা সেনানিবাস, ডিজিএফআই কমপ্লেক্স
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আমিনুল ইসলাম, তারেক রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: এক-এগারো

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖