📌 টাঙ্গাইলের সখীপুরে সাপের কামড়ে মৃত ঘোষণা করা এক নারীর কবরে ঝাড়ফুঁক করে তাকে জীবিত করার দাবি করেছেন এক ওঝা। মৃত হাসনা বেগমের পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এ ধরনের প্রচারণাকে অযৌক্তিক বলে উল্লেখ করেছেন
টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় সাপের কামড়ে মৃত ঘোষণা করা এক নারীর কবরে ঝাড়ফুঁক করে তাকে জীবিত করার দাবি করেছেন স্থানীয় এক ওঝা। গত শনিবার উপজেলার চতলবাইদ গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। মৃত হাসনা বেগমের পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 টাঙ্গাইলের সখীপুরে সাপের কামড়ে মৃত ঘোষণা করা হাসনা বেগমের কবরে ঝাড়ফুঁক করেন ওঝা গাজী মিয়া
- 📌 মৃত্যুর দুই দিন পর কবরের পাশে গন্ধ শুঁকে তিনি দাবি করেন, নারীর মৃত্যু হয়েছে কিনা তা নির্ধারণ করা যাবে
- 📌 ওঝা দাবি করেন, আগামী মঙ্গলবার আবার কবরের পাশে আসবেন এবং তখনই জীবিত করার সম্ভাবনা সম্পর্কে জানাবেন
- 📌 মৃত হাসনা বেগমের মেয়ে খালেদা বেগম জানান, তিনি প্রথমে আশাবাদী ছিলেন, কিন্তু পরে হতাশ হন
- 📌 স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এ ধরনের প্রচারণাকে অযৌক্তিক বলে উল্লেখ করেন
📰 বিস্তারিত
টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার চতলবাইদ গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। সাপের কামড়ে মৃত ঘোষণা করা হাসনা বেগমের কবরের পাশে গাজী মিয়া নামের এক ওঝা ঝাড়ফুঁক করেন। তিনি দাবি করেন, কবরের গন্ধ শুঁকে তিনি বুঝতে পারবেন নারীর মৃত্যু হয়েছে কিনা। স্থানীয়রা বিষয়টি নিয়ে কৌতূহলী হয়ে ওঠেন।
মৃত হাসনা বেগমের মেয়ে খালেদা বেগম জানান, তিনি প্রথমে আশাবাদী ছিলেন যে তার মাকে আবার জীবিত পাওয়া যাবে। কিন্তু পরে ওঝা তাকে জানান যে তার মা আর বেঁচে নেই। তিনি বলেন, ‘গতকাল আমার মধ্যে আশা তৈরি হয়েছিল। মাকে আবার জীবিত পাওয়ার আশায় অপেক্ষাও করছিলাম। কিন্তু আধা ঘণ্টা আগে ওঝা আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন, রাতে ধ্যানে বসে তিনি দেখেছেন, মা বেঁচে নেই। এখন আশাহত হলাম।’
সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেহেনা পারভীন বলেন, ‘একজন মানুষকে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেছেন এবং তাঁকে কবরও দেওয়া হয়েছে। এরপর ওই নারী আবার বেঁচে উঠবেন—এমন দাবি হাস্যকর ও অকল্পনীয়। ওই ওঝাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা দরকার।’ তিনি আরও বলেন, সাপে কামড়ে মারা যাওয়া রোগীকে কবর দেওয়ার পর ঝাড়ফুঁক করে জীবিত করার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
‘গতকাল তিনি (হাসনা বেগম) জীবিত ছিলেন। এখন ওই রোগীকে বাঁচানো সম্ভব নয়। তিনি চলে গেছেন।’ — গাজী মিয়া, ওঝা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চতলবাইদ গ্রাম, সখীপুর উপজেলা, টাঙ্গাইল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গাজী মিয়া (ওঝা), হাসনা বেগম (মৃত), খালেদা বেগম (মেয়ে)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৮ বছর (হাসনা বেগমের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!