📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সুনামগঞ্জে সৎ মেয়েকে হত্যার দায় স্বীকারে গ্রেপ্তার আছিয়া বেগম

সুনামগঞ্জে সৎ মেয়েকে হত্যার দায় স্বীকারে গ্রেপ্তার আছিয়া বেগম

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সুনামগঞ্জে সৎ মেয়েকে হত্যার অভিযোগে আছিয়া বেগম নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি দাবি করেছেন, তার মাথায় শয়তান ভর করায় তিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, নিহত শিশুটির নাম জাকিয়া আক্তার নিহা

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গোদারগাঁও গ্রামে সৎ মেয়েকে হত্যার অভিযোগে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ওই ব্যক্তির নাম আছিয়া বেগম (৫০), যিনি ঘটনার সময় তাজ উদ্দিন নামে এক রাজমিস্ত্রীর দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সুনামগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা দায়েরের পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সৎ মেয়েকে হত্যার অভিযোগে আছিয়া বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
  • 📌 গ্রেপ্তার ব্যক্তির দাবি, তার মাথায় শয়তান ভর করায় তিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন
  • 📌 নিহত শিশুটির নাম জাকিয়া আক্তার নিহা (৭), যিনি তাজ উদ্দিনের চার নম্বর সন্তান
  • 📌 ঘটনার দুই দিন পর সুরমা নদী থেকে নিহার লাশ উদ্ধার করা হয়
  • 📌 গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আগামীকাল শুক্রবার আদালতে সোপর্দ করা হবে

📰 বিস্তারিত

গত ১৭ আগস্ট রোববার সকাল ১১টায় আছিয়া বেগম নিহাকে নিয়ে সুরমা নদীতে গোসল করতে যান। তাজ উদ্দিন তাকে নিষেধ করলেও তিনি তা অমান্য করেন। পরে তিনি নিহাকে নদীর তীরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেন। ওই দিন দুপুরে নিহাকে না পেয়ে তাজ উদ্দিন স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। পরে তিনি সদর থানায় একটি জিডি করেন।

পরদিন ১৮ আগস্ট পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল সুরমা নদীতে খোঁজাখুঁজি করেও নিহার কোনো সন্ধান পায়নি। ঘটনার দুই দিন পর ১৯ আগস্ট বুধবার সকালে সুরমা নদীর রাজারগাঁও গ্রামের পাশ থেকে নিখোঁজ নিহার লাশ পাওয়া যায়। তার শরীরে একাধিক জখমের চিহ্ন ছিল।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুনামগঞ্জ শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই অভিজিৎ ভৌমিক জানান, আছিয়া বেগম প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন যে তিনি সতীনের মেয়েকে খুন করে নদীতে ফেলে দিয়েছিলেন। তিনি আরও জানান, ঘটনার পর আছিয়া বেগম কৌশলে আত্মগোপনে চলে যান।

"তার মাথায় শয়তান ভর করায় তিনি এই কাজ করেছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গোদারগাঁও গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আছিয়া বেগম (৫০), তাজ উদ্দিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ (নিহার বয়স), ৫০ (আছিয়া বেগমের বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖