📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নতুন খসড়া আইনে কী পরিবর্তন আসছে?

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নতুন খসড়া আইনে কী পরিবর্তন আসছে?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতিসংঘের প্যারিস প্রিন্সিপলস অনুসরণে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের খসড়া আইন নিয়ে আলোচনা চলছে। আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, কমিশনকে দুর্বল প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাখা হবে না। টিআইবি ও মানবাধিকারকর্মীদের মধ্যে খসড়া আইন নিয়ে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া রয়েছে

জাতিসংঘের ঘোষিত ‘প্যারিস প্রিন্সিপলস’ অনুসরণে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের খসড়া আইন নিয়ে আলোচনা তীব্রতর হয়েছে। প্যারিস প্রিন্সিপলস হলো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক গৃহীত একটি নীতিমালা, যা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের গঠন ও কার্যক্রমের মানদণ্ড নির্ধারণ করে। অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে প্রণীত অধ্যাদেশের মাধ্যমে কমিশনের আইনি কাঠামো পুনর্গঠনের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত হয়ে আসছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জাতিসংঘের ‘প্যারিস প্রিন্সিপলস’ অনুসরণে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের খসড়া আইন প্রণয়ন চলছে
  • 📌 আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, কমিশনকে দুর্বল প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাখা হবে না
  • 📌 টিআইবি ও মানবাধিকারকর্মীদের মধ্যে খসড়া আইন নিয়ে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া রয়েছে
  • 📌 আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘন তদন্তের ক্ষমতা কমিশনকে দেয়নি বলে অভিযোগ
  • 📌 ২০২৬ সালের খসড়া আইনকে অনেকেই ২০০৯ সালের আইনের চেয়ে শক্তিশালী বলে অভিহিত করেছেন

📰 বিস্তারিত

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক গৃহীত ‘প্যারিস প্রিন্সিপলস’ অনুসরণে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের খসড়া আইন নিয়ে আলোচনা চলছে। এই নীতিমালা অনুসারে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে স্বাধীন, কার্যকর ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে প্রণীত অধ্যাদেশের মাধ্যমে কমিশনের আইনি কাঠামো পুনর্গঠনের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত হয়ে আসছে।

গত ১৭ মে রাজধানীতে আয়োজিত এক সভায় আইনমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আর ‘নখদন্তহীন’ প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাখা হবে না। তিনি জানান, কমিশনের স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আইনি সংস্কার করা হবে। তবে টিআইবি এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মধ্যে খসড়া আইন নিয়ে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যাচ্ছে।

একদিকে, অনেকেই অভিযোগ করছেন যে, খসড়া আইনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘন তদন্তের ক্ষমতা কমিশনকে দেয়া হয়নি। বরং কমিশনকে সরকারের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ। অন্যদিকে, অনেকে ২০২৬ সালের খসড়া আইনকে ২০০৯ সালের আইনের চেয়ে শক্তিশালী বলে অভিহিত করেছেন। তাদের মতে, নতুন আইনে মানবাধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রে বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আনা হয়েছে।

"জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দুর্বল প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাখা হবে না। কমিশনের স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আইনি সংস্কার করা হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইনমন্ত্রী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ মে ২০২৬ (সভা অনুষ্ঠিত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖