📌 জাতীয় সংসদে ই-টেন্ডার প্রক্রিয়া সহজীকরণের দাবি উঠেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের মতো দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিয়ে বর্তমান সরকারের ৬ মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও এই প্রক্রিয়া সহজীকরণে বিলম্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংসদ সদস্যরা
ঢাকা: জাতীয় সংসদে ই-টেন্ডার প্রক্রিয়া সহজীকরণের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় সিন্ডিকেট ভেঙে সব স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আইন প্রক্রিয়াধীন বলে জানানো হয়। রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাব ও সম্পূরক প্রশ্নে এসব আলোচনা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেন ই-টেন্ডার প্রক্রিয়া দ্রুত সহজীকরণের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন
- 📌 বিগত সরকার টেন্ডার প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি
- 📌 স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আবদুল মঈন খান জানান, ই-টেন্ডার প্রক্রিয়া সহজীকরণের বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে
- 📌 আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানান, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট ও রুলসকে যুগোপযোগী করতে বিশেষ সাব-কমিটি গঠন করা হয়েছে
- 📌 স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পাদনের জন্য সময়সীমা নির্ধারণের তাগিদ দেন
📰 বিস্তারিত
জাতীয় সংসদে ই-টেন্ডার প্রক্রিয়া সহজীকরণের দাবি জানানো হয়েছে। বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেন শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে ই-টেন্ডার প্রক্রিয়া দ্রুত সহজীকরণের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিগত সরকার টেন্ডার প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়নি। অন্তর্বর্তী সরকার স্বল্প সময়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারলে বর্তমান সরকারের ৬ মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও এই প্রক্রিয়া সহজীকরণে কেন বিলম্ব হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী আবদুল মঈন খান বলেন, জনস্বার্থে ই-টেন্ডার প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। তিনি জানান, বর্তমানে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট ২০০৬ এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস অনুযায়ী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরসহ বিভিন্ন ক্রয়কারী কার্যালয়ের মাধ্যমে উন্নয়নকাজ পরিচালনা করা হচ্ছে।
স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পাদন করতে আর কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পরবর্তীকালে বিষয়টির আইনি ব্যাখ্যা ও সরকারের রূপরেখা তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের মতো তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত না নিয়ে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের ম্যান্ডেট অনুযায়ী প্রচলিত সংবিধান ও আইনের মধ্য দিয়েই সব কাজ পরিচালনা করছে।
"বিগত ১৭ বছরে বিরোধী রাজনৈতিক মতের মানুষকে ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে দূরে রাখতে বিশেষ অবকাঠামো বা সিন্ডিকেট তৈরি করা হয়েছিল। এই সমস্ত বাধা ও সিন্ডিকেট পুরোপুরি ভেঙে ফেলার লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মোশারফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, মো. আসাদুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ দিন, ৬ মাস, ৩০ আগস্ট, ৪ আসন, ১৭ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!