📌 সরকার রাজনৈতিক কারণে বাদ পড়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্ত করতে যাচাই-বাছাই শুরু করেছে। একই সঙ্গে ভুয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান সংসদে এ তথ্য জানান
ঢাকা: বিগত ফ্যাসিবাদের ১৮ বছরে রাজনৈতিক আদর্শের কারণে বাদ পড়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের পুনরায় রাষ্ট্রীয় তালিকাভুক্ত করতে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার। একই সঙ্গে অমুক্তিযোদ্ধা ও অনিয়মের মাধ্যমে তালিকায় স্থান পাওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে মেহেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. নাজমুল হুদার সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এসব তথ্য তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিগত ফ্যাসিবাদের ১৮ বছরে রাজনৈতিক কারণে বাদ পড়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের পুনরায় তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু
- 📌 অমুক্তিযোদ্ধা ও অনিয়মের মাধ্যমে তালিকায় স্থান পাওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে
- 📌 সরকারের লক্ষ্য দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি সুনির্দিষ্ট, স্বচ্ছ ও নির্ভুল তালিকা প্রস্তুত করা
- 📌 ইতোমধ্যে যাচাই-বাছাইয়ে অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত অনেক ভুয়া ব্যক্তির নাম গেজেট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান জানান, বিগত সরকারের শাসনামলে বিরোধী দলের রাজনৈতিক আদর্শ ধারণ করার কারণে অসংখ্য প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় তালিকা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল। এছাড়া বিভিন্ন বাস্তব সমস্যার কারণে অনেকেই এতদিন তালিকায় স্থান পাননি। বর্তমান সরকার এসব বাদ পড়া বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকার আওতায় আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বাদ পড়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অন্তর্ভুক্তির জন্য নতুন করে আবেদন গ্রহণ শুরু করে। প্রাপ্ত আবেদনগুলো সঠিকভাবে যাচাই-বাছাইয়ের পর তাদের রাষ্ট্রীয় তালিকায় যুক্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রকৃতদের অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি অনিয়মের মাধ্যমে অন্যায়ভাবে তালিকায় ঢুকে পড়া ব্যক্তিদের বাদ দেওয়ার ধারাবাহিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকারের মূল লক্ষ্য দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি সুনির্দিষ্ট, স্বচ্ছ ও নির্ভুল তালিকা উপহার দেওয়া। প্রকৃত বীর সন্তানদের উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভুয়া সনদের মাধ্যমে সুযোগ-সুবিধা গ্রহণকারীদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় এই সম্মানকে বিতর্কমুক্ত রাখতে সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
"বিগত সরকারের শাসনামলে কেবল বিরোধী দলের রাজনৈতিক আদর্শ ধারণ করার কারণে অসংখ্য প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় তালিকা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। বর্তমান সরকার এসব বাদ পড়া বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ ও সঠিক তালিকার আওতায় আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে কাজ করছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ অধিবেশন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আহমেদ আযম খান (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ বছর, ৩০ আগস্ট, মেহেরপুর-২ আসন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!