📌 সিলেট বিআরটিসি প্রধান কাউন্টার দুই বছর ধরে দখলে রেখেছেন জামায়াত নেতা সোহেল রানা। নতুন ইজারাদার দেলোয়ার হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে জোরপূর্বক বাস পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ হস্তক্ষেপ করলেও সময়ক্ষেপণ চলছে
সিলেট বিআরটিসির প্রধান কাউন্টার দুই বছর ধরে দখলে রেখেছেন জামায়াত নেতা সোহেল রানা। নতুন ইজারাদার দেলোয়ার হোসেন চৌধুরীর অভিযোগ, পূর্ববর্তী ইজারাদার আলিম উদ্দিনের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গ করে সোহেল রানা জোরপূর্বক বাস পরিচালনা করছেন। পুলিশ হস্তক্ষেপ করলেও কার্যক্রম বন্ধে সময়ক্ষেপণ চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল তথ্য
- 📌 সিলেট বিআরটিসির প্রধান কাউন্টার দুই বছর ধরে দখলে রেখেছেন জামায়াত নেতা সোহেল রানা।
- 📌 পূর্ববর্তী ইজারাদার আলিম উদ্দিনের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গ করে সোহেল রানা ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
- 📌 নতুন ইজারাদার দেলোয়ার হোসেন চৌধুরীকে গত ১৪ জুলাই ইজারা দেওয়া হয়।
- 📌 সিলেট বিআরটিসির ডিপো ম্যানেজার মো. রোকনুজ্জামান পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছেন।
- 📌 কুমিল্লা রুটের দুটি বাস নতুন ইজারাদারের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে না বলে অভিযোগ দেলোয়ার হোসেনের।
📰 বিস্তারিত
সিলেট বিআরটিসির প্রধান কাউন্টার দুই বছর ধরে দখলে রেখেছেন জামায়াত নেতা সোহেল রানা। গত মাসে ঢাকার কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে নতুন ইজারাদার হিসেবে দেলোয়ার হোসেন চৌধুরীকে ইজারা দেওয়া হলেও সোহেল রানা তার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। সিলেট কদমতলীস্থ প্রধান কাউন্টার থেকে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সোনাপুর ও ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন রুটে টিকিট বিক্রি ও সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন চৌধুরীকে জোরপূর্বক বিতাড়িত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে আলিম উদ্দিন নামে এক ব্যবসায়ী ইজারা নেন, যার সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাদের সম্পৃক্ততা ছিল। ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পর আলিম উদ্দিন অসুস্থতার দোহাই দিয়ে সিলেট ত্যাগ করলে সোহেল রানা কাউন্টারের দায়িত্ব নেন।
আলিম উদ্দিন মানবজমিনকে জানিয়েছেন, তিনি এক লাখ টাকা জামানত দিয়ে ইজারা নেন। পরবর্তীতে সোহেল রানার সঙ্গে চুক্তি হলেও মে মাসের পর থেকে তার কোনো যোগাযোগ বা টাকা দেওয়া হয়নি। ফলে বর্তমানে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
নতুন ইজারাদার দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী মানবজমিনকে জানিয়েছেন, সিলেট কাউন্টার থেকে সব রুটে বিআরটিসির বাসের সার্ভিস পরিচালনার কথা। কিন্তু কুমিল্লার দুটি রুটে এখনো কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
"আমি কখনোই অবৈধ ছিলাম না। ইজারাদারের সঙ্গে চুক্তি করে ব্যবসা করছিলাম। দু’একদিনের মধ্যে বিষয়টির সুরাহা হয়ে যাবে।"
সিলেট বিআরটিসির ডিপো ম্যানেজার মো. রোকনুজ্জামান জানিয়েছেন, প্রধান কাউন্টারের ইজারাদারের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে পরিচালনার কোনো সুযোগ নেই। যে ইজারা নেবেন তিনি পরিচালনা করবেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোহেল রানা, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, আলিম উদ্দিন, মো. রোকনুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ আগস্ট, ১৪ জুলাই
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!