📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:২১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সেন্ট মার্টিনের কেয়াবন ধ্বংসের পেছনে প্রভাবশালী মহলের হাতিয়ার আগুন

সেন্ট মার্টিনের কেয়াবন ধ্বংসের পেছনে প্রভাবশালী মহলের হাতিয়ার আগুন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সেন্ট মার্টিন দ্বীপের সৈকতে রাতের অন্ধকারে কেয়াবনে আগুন দিয়ে ধ্বংস করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পর্যটনের জন্য সমুদ্রের দৃশ্য উন্মুক্ত করতে প্রভাবশালী চক্র এমন কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। সরকারি প্রকল্পের মধ্যেও চলছে এই ধ্বংসযজ্ঞ।

কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্ট মার্টিন দ্বীপের বিভিন্ন সৈকতে রাতের আঁধারে কেয়াবনে আগুন দিয়ে গাছ ধ্বংস করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পর্যটনের জন্য সমুদ্রের দৃশ্য উন্মুক্ত করতে প্রভাবশালী চক্র এমন কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। ফলে দ্বীপের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পূর্বপাড়া, গলাচিপা, দক্ষিণপাড়া, কোনারপাড়া ও উত্তরপাড়ার সৈকতে কেয়াবন ধ্বংসের দৃশ্য দেখা গেছে
  • 📌 স্থানীয়দের অভিযোগ, পর্যটনের জন্য সমুদ্রের দৃশ্য উন্মুক্ত করতে প্রভাবশালী চক্র কেয়াবনে আগুন দিয়ে ধ্বংস করছে
  • 📌 দ্বীপের আয়তন সরকারি তথ্যে ১৩ বর্গকিলোমিটার হলেও বেসরকারি হিসাবে প্রায় ৯ বর্গকিলোমিটার
  • 📌 সরকার প্রায় ৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে
  • 📌 প্রকল্পের আওতায় সৈকতে আড়াই হাজার কেয়া চারা রোপণ করা হয়েছে এবং আরও তিন হাজার চারা রোপণের কাজ চলছে

📰 বিস্তারিত

সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পূর্বপাড়ার সৈকতে সরু ইটের রাস্তা ও সমুদ্রসৈকতের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা কেয়াগাছের সারি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে সেখানে সাগরের নীল জলরাশি দেখা যাচ্ছে। একই দৃশ্য দেখা গেছে দ্বীপের গলাচিপা, দক্ষিণপাড়া, কোনারপাড়া ও উত্তরপাড়ার সৈকতেও। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতে কয়েকজন লোক কেয়াবনে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়, যার ফলে মুহূর্তেই শত শত গাছ পুড়ে যায়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দ্বীপের আয়তন সরকারিভাবে ১৩ বর্গকিলোমিটার হলেও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার হিসাবে এর প্রকৃত আয়তন প্রায় ৯ বর্গকিলোমিটার। দ্বীপের চারপাশ ও ভেতরের অংশজুড়ে একসময় কেয়াবন ছিল। পর্যটনের জন্য হোটেল-মোটেল নির্মাণের কারণে কেয়াবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন আবার নতুন করে কেয়াবন ধ্বংসের ঘটনা ঘটছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কামরুল হাসান বলেন, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে বালিয়াড়িকে রক্ষা করার একমাত্র প্রাকৃতিক ঢাল হলো কেয়াবন। এর শিকড় মাটির গভীরে ছড়িয়ে বালুকে শক্তভাবে আটকে রাখে। তিনি জানান, সরকার দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ‘সেন্ট মার্টিন দ্বীপের জীববৈচিত্র্য ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় অভিযোজন প্রকল্প’ নামে ৮ কোটি ৯০ লাখ ২৫ হাজার টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের আওতায় দ্বীপের পূর্ব সৈকতের গলাচিপা এলাকায় প্রায় এক কিলোমিটার কেয়াবন ধ্বংস হয়ে গেছে। পাশের আধা কিলোমিটার বনের অন্তত ৩০০ কেয়াগাছ আগুন দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

"ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে বালিয়াড়িকে রক্ষা করার একমাত্র প্রাকৃতিক ঢাল হলো কেয়াবন। এর শিকড় মাটির গভীরে ছড়িয়ে বালুকে শক্তভাবে আটকে রাখে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সেন্ট মার্টিন দ্বীপ, কক্সবাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কামরুল হাসান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার (সরকারি), প্রায় ৯ বর্গকিলোমিটার (বেসরকারি), প্রকল্প ব্যয় ৮ কোটি ৯০ লাখ ২৫ হাজার টাকা, রোপিত চারা ২ হাজার ৫০০টি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖