📌 পিরোজপুরের কচা নদীতে মাছ ধরার ট্রলার থেকে ভারতীয় শাড়ি, থ্রিপিস, লুঙ্গি ও পাঞ্জাবির বিপুল পরিমাণ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে ৮-১০ জন সন্দেহভাজন পালিয়ে গেছে। পুলিশ ও কোস্ট গার্ড তদন্ত চালিয়ে চলেছে
পিরোজপুর জেলার কচা নদীতে মাছ ধরার একটি ট্রলার থেকে ভারতীয় পোশাকের বিপুল পরিমাণ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে চোরাচালানের সন্দেহে ট্রলারটি জব্দ করা হলেও সেখানে থাকা ৮ থেকে ১০ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তি পালিয়ে গেছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) ভোররাতে পিরোজপুর সদর উপজেলার কুমিরমারা এলাকায় কোস্ট গার্ড ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ট্রলারটি আটক করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পিরোজপুরের কচা নদীতে মাছ ধরার ট্রলার থেকে ভারতীয় শাড়ি, থ্রিপিস, লুঙ্গি ও পাঞ্জাবির বিপুল পরিমাণ উদ্ধার করা হয়েছে
- 📌 অভিযানে ৮ থেকে ১০ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তি পালিয়ে যায়, ট্রলারটিতে চোরাচালানের সন্দেহ
- 📌 পিরোজপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেছেন, ট্রলার থেকে পণ্যগুলো খালাস করা হচ্ছে
- 📌 অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাসরিন জাহান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন
- 📌 উদ্ধারকৃত পণ্যগুলোর সঠিক পরিমাণ ও মূল্য নির্ধারণের পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
পিরোজপুর সদর উপজেলার কুমিরমারা পুরাতন ফেরিঘাট এলাকায় রাত ৩টার দিকে পাথরঘাটা এলাকা থেকে একটি সন্দেহজনক ট্রলারকে ধাওয়া করে কোস্ট গার্ড। পরে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় কচা নদীর কুমিরমারা এলাকায় ট্রলারটি আটক করা হয়। ওসি মো. শরিফুল ইসলাম জানান, ট্রলারটিতে ভারতীয় পোশাকের বিপুল পরিমাণ পাওয়া গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে ট্রলার থেকে পণ্যগুলো খালাস করে তালিকা তৈরির কাজ চলছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন জাহান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিসহ গণমাধ্যমকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। উদ্ধারকৃত পণ্যগুলোর উৎস ও গন্তব্য নিয়ে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত পণ্যের পূর্ণাঙ্গ তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ শেষে চোরাচালানের ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা ও পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"ট্রলারটিতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি, থ্রিপিস, লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে ট্রলার থেকে পণ্যগুলো খালাস করে তালিকা তৈরির কাজ চলছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পিরোজপুর সদর উপজেলা, কচা নদী, কুমিরমারা এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওসি মো. শরিফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাসরিন জাহান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮-১০ জন (পালিয়ে যাওয়া), ৩ অক্টোবর (তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!