📌 ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতিচিহ্ন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অপসারণের অভিযোগ উঠেছে। শহীদের পরিবার ও শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের অজ্ঞতাকে দায়ী করে স্মৃতিচিহ্ন পুনঃস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে জামালপুরে পরিবহন বাসের বেপরোয়া চালকদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসংলগ্ন শহীদ আবু সাঈদ চত্বরে শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতিচিহ্নের বিলবোর্ড অপসারণের ঘটনা পরিবার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ হিসেবে স্মরণীয় এই শিক্ষার্থীর স্মৃতিচিহ্নের অপসারণকে প্রশাসনিক অজ্ঞতা হিসেবে দেখছেন তাঁর পরিবার। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাতে শহীদ আবু সাঈদের বড় ভাই আবু হোসেন ফেসবুকে একটি আবেগঘন পোস্ট প্রকাশ করে এই ঘটনায় প্রশাসনের দায়িত্বহীনতা তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতিচিহ্নের বিলবোর্ড রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অপসারণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 শহীদ আবু সাঈদের বড় ভাই আবু হোসেন ফেসবুকে পোস্ট করে বলেছেন, ‘জুলাইয়ের প্রথম শহীদের স্মৃতি চিহ্ন যদি এভাবে মুছে ফেলা হয়, তাহলে অন্য শহীদদের স্মৃতিচিহ্নের অবস্থা কি হবে?’
- 📌 রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী ডনকে লক্ষ্য করে আবু হোসেন দাবি করেছেন, ‘স্মৃতিসংবলিত ব্যানারটি অবিলম্বে পুনঃস্থাপন করতে হবে’।
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা স্মৃতিচিহ্ন অপসারণের ঘটনাকে নিন্দা করে দ্রুত পুনঃস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন।
- 📌 জামালপুরে পরিবহন বাসের বেপরোয়া চালকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা গায়েবানা জানাজা ও প্রতীকী লাশ নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন।
📰 বিস্তারিত
শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতিচিহ্নের বিলবোর্ডের অপসারণের ঘটনায় পরিবার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের তরঙ্গ ছড়িয়ে পড়েছে। আবু হোসেনের ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ‘এভাবেই চলছে জুলাই শহীদদের স্মৃতি চিহ্ন মুছে ফেলার কাজ’। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন যে, এই ধরনের স্মৃতিচিহ্ন যদি মুছে ফেলা হয়, তাহলে অন্য শহীদদের স্মৃতিচিহ্নের অবস্থা কি হবে। পোস্টে তিনি রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী ডনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্মৃতিসংবলিত ব্যানারটি পুনঃস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই ঘটনায় গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বলেছেন, ‘শহীদ আবু সাঈদ ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের অন্যতম বীর। তাঁর আত্মত্যাগের স্মৃতির সঙ্গে জড়িত কোনো স্থাপনা বা স্মৃতিচিহ্ন অপসারণ কিংবা পরিবর্তনের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত ছিল’। শিক্ষার্থীরা দ্রুততম সময়ে স্মারক বিলবোর্ডটি সসম্মানে পুনঃস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন।
অপরদিকে, জামালপুরের ফৌজদারি এলাকায় ঢাকা-জামালপুর রুটে চলাচলকারী রাজীব পরিবহনের বাসের বেপরোয়া চালকদের বিরুদ্ধে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদ করেছেন। তাঁরা অভিযোগ করেছেন যে, বাসগুলো অতিরিক্ত গতি ও বেপরোয়া চলাচল করে। এই ঘটনার বিচার দাবি করে শুক্রবার রাতে তাঁরা গায়েবানা জানাজা ও প্রতীকী লাশ নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন।
"এভাবেই চলছে জুলাই শহীদদের স্মৃতি চিহ্ন মুছে ফেলার কাজ। তা আবার শহীদ আবু সাঈদ চত্বরে আবু সাঈদ এর স্মৃতি চিহ্ন মুছে ফেলা হচ্ছে। জুলাইয়ের প্রথম শহীদের স্মৃতি চিহ্ন যদি এভাবে মুছে ফেলা হয় তাহলে অন্য শহীদদের স্মৃতিচিহ্নের কি অবস্থা আল্লাই ভাল জানে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর (বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়), জামালপুর (ফৌজদারি এলাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু হোসেন (শহীদ আবু সাঈদের বড় ভাই), মাহফুজ উন নবী ডন (রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক), শিক্ষার্থীরা, জামালপুরের বাসিন্দারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!