📌 বাংলাদেশের উন্নয়নে উচ্চশিক্ষিত প্রকৌশলীদের যথাযথ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি মেধা পাচারের বিপরীতে দেশের দক্ষ মানবসম্পদকে কাজে লাগানোর তাগিদ দেন
বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে উচ্চশিক্ষিত প্রকৌশলী ও টেকনোক্র্যাটদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। বৃহস্পতিবার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের মিলনায়তনে আয়োজিত জাতীয় প্রকৌশলী সম্মেলন-২০২৬-এ প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেশের উন্নয়নে উচ্চশিক্ষিত প্রকৌশলীদের যথাযথ ব্যবহারের তাগিদ দিয়েছেন বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী
- 📌 মেধা পাচার রোধে দেশের দক্ষ মানবসম্পদকে রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ
- 📌 চীনের উন্নয়ন মডেল অনুসরণ করে প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষার বিকাশের প্রস্তাব
- 📌 প্রকৌশলীদের কর্মসংস্থান ও সম্মানজনক পারিশ্রমিক নিশ্চিত করার দাবি
- 📌 দেশে ৫০টির বেশি টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউশনের মাধ্যমে প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক প্রকৌশলী তৈরির তথ্য তুলে ধরা
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় উচ্চশিক্ষিত প্রকৌশলী ও টেকনোক্র্যাটদের গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশের মেধাবীদের যথাযথভাবে কাজে লাগাতে না পারলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, এর ফলে দেশ থেকে মেধা পাচারের প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পাবে। রিজভী উল্লেখ করেন, বিশ্বের উন্নত দেশগুলো তাদের প্রযুক্তিগত শিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদের ওপর ভিত্তি করে দ্রুত উন্নতি করেছে। বিশেষ করে চীনের উন্নয়ন মডেলের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশটি প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সমাজে মেধা ও যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে। কোনো নিয়মবহির্ভূত শক্তির প্রভাব যাতে মেধাতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। রিজভী উল্লেখ করেন, আইনের শাসন ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সুযোগ প্রদান করা গেলে দেশের মেধাবীদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের পথ সুগম হবে।
প্রকৌশলীদের কর্মসংস্থান ও সম্মানজনক পারিশ্রমিক নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, টেকনিক্যাল শিক্ষায় শিক্ষিতদের উপযুক্ত কর্মক্ষেত্র ও তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী পারিশ্রমিক প্রদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন, গ্লোবালাইজেশন ও অফশোরিংয়ের সুযোগ কাজে লাগিয়ে দেশের দক্ষ প্রকৌশলীদের জন্য নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরি করা সম্ভব।
"উচ্চশিক্ষিত ও মেধাবীদের রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে হবে। গবেষণার পরিসর আরও বিস্তৃত করতে হবে। চিকিৎসা, প্রযুক্তি, পদার্থবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান ও সক্ষমতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। রাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তাদের চিন্তা বা দর্শনের পরিবর্তে যোগ্যতা, নিয়ম ও নিরপেক্ষতাকে গুরুত্ব দিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর রমনা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ
- 🔢 প্রতিষ্ঠান সংখ্যা: ৫০টির বেশি টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউশন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!