📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৩৯ বছর পর সিরাজগঞ্জে ফিরে দেখলাম নাটকের সেই অগ্নিপরীক্ষা: হারুনুর রশীদ ও ভাসানী মিলনায়তনের গল্প

৩৯ বছর পর সিরাজগঞ্জে ফিরে দেখলাম নাটকের সেই অগ্নিপরীক্ষা: হারুনুর রশীদ ও ভাসানী মিলনায়তনের গল্প

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৩৯ বছর আগে সিরাজগঞ্জে প্রথম নাটক মঞ্চায়নের নিমন্ত্রণ পেয়েছিলেন হারুনুর রশীদ। সেই স্মৃতির ধারাবাহিকতায় বর্তমানে সিরাজগঞ্জ উত্তরবঙ্গের একটি প্রধান নাট্যকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে লেখক স্মরণ করছেন সেই সংস্কৃতিচর্চার ইতিবৃত্ত

৩৯ বছর আগের সেই সিরাজগঞ্জ যাত্রা এখনও লেখকের মনে অদম্য। সিরাজগঞ্জের ভাসানী মিলনায়তন থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত পাঠাগার ‘ব্যক্তিগত পাঠাগার’ পর্যন্ত — সেই সংস্কৃতিচর্চার প্রতিটি মুহূর্তের স্মৃতি এখনও জীবন্ত। লেখক স্মরণ করছেন, তখন ‘ওরা কদম আলী’ নাটকের মঞ্চায়নের সময় এক তরুণ সাক্ষাৎকারের জন্য এসেছিলেন। সে ছিল হারুনুর রশীদ, যিনি সিরাজগঞ্জের ছেলে। সেই সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল নাটকের সেই অগ্নিপরীক্ষা, যা পরবর্তীকালে সিরাজগঞ্জকে উত্তরবঙ্গের একটি প্রধান নাট্যকেন্দ্রে পরিণত করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩৯ বছর আগে সিরাজগঞ্জে ‘ওরা কদম আলী’ নাটকের মঞ্চায়নের জন্য হারুনুর রশীদের সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল লেখকের সিরাজগঞ্জের সঙ্গে সম্পর্ক
  • 📌 ঈদের পরের দিন সিরাজগঞ্জে যাওয়ার সময় নৌকায় ভাসিয়ে যমুনা পার হয়ে ভাসানী মিলনায়তনে পৌঁছান লেখক ও দল
  • 📌 নাটক শেষে এক ভদ্রমহিলা বলেছিলেন, ‘নিম্নজাতের মানুষ অথবা ম্লেচ্ছদেরকে নিয়ে কোনো শিল্পের কাজ হয় না’ — যা তখন একটি ঝগড়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়
  • 📌 সিরাজগঞ্জের ‘ব্যক্তিগত পাঠাগার’-এ এম এ বারী পরিচালিত অসংখ্য বইয়ের সংগ্রহ দেখে লেখক বিস্মিত হন
  • 📌 হারুনুর রশীদ সিরাজগঞ্জ ছেড়ে ঢাকায় এসে লেখকের নাট্যদলে যোগ দেন, আর আজাদ সিরাজগঞ্জ ছাড়িয়ে উত্তরবঙ্গের নাট্যক্রিয়ায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন

📰 বিস্তারিত

লেখক স্মরণ করছেন, ৩৯ বছর আগে ‘ওরা কদম আলী’ নাটকের মঞ্চায়নের সময় গ্রিনরুমে মেকআপ তুলছিলেন। সে সময় এক সহকর্মী জানালেন, একজন তরুণ সাক্ষাৎকারের জন্য দাঁড়িয়ে আছে। সেই তরুণ ছিলেন হারুনুর রশীদ, সিরাজগঞ্জের ছেলে। তিনি নাটকটি সিরাজগঞ্জে মঞ্চায়নের জন্য নিমন্ত্রণ জানান। ঈদের পরের দিন সিরাজগঞ্জে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিরাজগঞ্জে পৌঁছানোর পর হারুনুর রশীদের সাথে পরিচয় হয় এবং তার নাম-ঠিকানা দলের সবাইকে জানানো হয়।

ভাসানী মিলনায়তনে নাটক মঞ্চায়িত হওয়ার পর, রাতের গভীরে লেখক ও দলের সদস্যরা আব্দুর রউফের আত্মীয়ের বাড়িতে যান। সেখানে ঈদের রান্না করা খাবার দেখে সবাই ক্ষুধার্ত হয়ে পড়েন। কিন্তু সেই সময় এক ভদ্রমহিলা বলেছিলেন, ‘নিম্নজাতের মানুষ অথবা ম্লেচ্ছদেরকে নিয়ে কোনো শিল্পের কাজ হয় না’ — যা তখন একটি ঝগড়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পরদিন সকালে সিরাজগঞ্জের কলেজে পড়া তরুণেরা ছড়া ও কবিতার আন্দোলন করছিলেন। তাদের একটি জনপ্রিয় ছড়া ছিল, ‘নিয়ন বাতির তলে ক্ষুধার আগুন জ্বলে’।

সিরাজগঞ্জের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘ব্যক্তিগত পাঠাগার’। এই পাঠাগারের উদ্যোক্তা ছিলেন এম এ বারী। তিনি অসংখ্য বইয়ের সংগ্রহের পাশাপাশি তরুণদের পড়ার জায়গা হিসেবে এই পাঠাগার পরিচালনা করতেন। লেখক স্মরণ করছেন, এতসব বইয়ের সংগ্রহ দেখে তিনি বিস্মিত হন। সেই সময় থেকে এই ৩৯ বছরে লেখক ও দল বহুবার সিরাজগঞ্জে গিয়েছেন, নাটক মঞ্চায়িত করেছেন এবং বিভিন্ন কর্মশালাও করেছেন। হারুনুর রশীদ সিরাজগঞ্জ ছেড়ে ঢাকায় এসে লেখকের নাট্যদলে যোগ দিয়েছেন। আর আজাদ সিরাজগঞ্জ ছাড়িয়ে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় নাটকের কাজ করছেন।

“নিম্নজাতের মানুষ অথবা ম্লেচ্ছদেরকে নিয়ে কোনো শিল্পের কাজ হয় না”

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জ (ভাসানী মিলনায়তন, ব্যক্তিগত পাঠাগার)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হারুনুর রশীদ, এম এ বারী, আব্দুর রউফ, আজাদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৯ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖