📌 যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে স্বাক্ষরিত মেয়াদহীন চুক্তি অনুযায়ী, শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা গ্রিনল্যান্ডে সামরিক ও অর্থনৈতিক বিনিয়োগ করতে পারবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তিকে 'স্বপ্নপূরণ' বলে উল্লেখ করেছেন
যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি মেয়াদহীন সামরিক চুক্তি অনুযায়ী, শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র ও তার ন্যাটো মিত্ররা গ্রিনল্যান্ডে সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ ও অর্থনৈতিক বিনিয়োগ করতে পারবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তিকে 'স্বপ্নপূরণ' বলে উল্লেখ করেছেন এবং ঘোষণা দিয়েছেন যে, এই চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ডে স্থায়ী সামরিক উপস্থিতি নিশ্চিত হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত মেয়াদহীন চুক্তি অনুযায়ী, গ্রিনল্যান্ডে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ ও বিনিয়োগ করতে পারবে
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে ঘোষণা দিয়েছেন, ‘গ্রিনল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়ার পূর্ণ সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের চিরকাল থাকবে’
- 📌 গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস-ফ্রেডেরিক নিয়েলসেন বলেছেন, এই চুক্তিতে গ্রিনল্যান্ডের স্বার্থ ও আর্কটিক অঞ্চলের আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে
- 📌 মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, গ্রিনল্যান্ড চিরকাল উত্তর আমেরিকার কৌশলগত প্রতিরক্ষা এলাকার অংশ থাকবে এবং কোনো প্রতিপক্ষকে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে না
- 📌 বর্তমানে গ্রিনল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের একটি স্পেস ফোর্স ঘাঁটি রয়েছে, যা ট্রাম্প ‘স্বপ্নপূরণ’ বলে উল্লেখ করেছেন
📰 বিস্তারিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট প্রকাশ করে এই চুক্তির কথা ঘোষণা করেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমার নির্দেশে আমরা ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কাজ করেছি, যাতে নিশ্চিত করা যায় যে গ্রিনল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়ার পূর্ণ সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের চিরকাল থাকবে।’
এই চুক্তির ফলে গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়বে এবং ন্যাটো সদস্য নয় এমন দেশগুলোকে সামরিক ঘাঁটি নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা গ্রিনল্যান্ডে ‘সংবেদনশীল বিনিয়োগ’ করতে পারবে। ট্রাম্পের মতে, এই চুক্তির কোনো মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ নেই। তবে চুক্তির বিস্তারিত বিষয়গুলো এখনও স্পষ্ট নয়, বিশেষত নতুন সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের বিষয়ে।
গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং এর বাসিন্দারা স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করেন। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক প্রচেষ্টায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস-ফ্রেডেরিক নিয়েলসেন বলেছেন, ‘এই চুক্তিতে আমাদের সবার জন্য উপকারী বিষয়গুলো স্বীকৃতি পেয়েছে’।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও একটি বিবৃতিতে বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড চিরকাল উত্তর আমেরিকার কৌশলগত প্রতিরক্ষা এলাকার অংশ থাকবে এবং কোনো প্রতিপক্ষকে এই এলাকা ও এর আশপাশে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে না’।
"আমার নির্দেশে আমরা ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কাজ করেছি, যাতে নিশ্চিত করা যায় যে গ্রিনল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়ার পূর্ণ সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের চিরকাল থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গ্রিনল্যান্ড (ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল), ডেনমার্ক, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট), জেনস-ফ্রেডেরিক নিয়েলসেন (গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী), মার্কো রুবিও (মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬টি (সৌদি আরবের গত ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনে আক্রমণে নষ্ট করা বোমা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!