📌 বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা ঘিরে আলোচনা চলছে। তার ফেরা সম্ভব দুটি পথে— স্বেচ্ছায় প্রবেশ অথবা প্রত্যর্পণ। তবে তার বৈধ পাসপোর্ট না থাকায় ট্রাভেল পারমিটের প্রয়োজন হতে পারে।
বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা ঘিরে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে তার দেশে প্রত্যাবর্তনের সম্ভাব্য পথ। তার ফেরা কীভাবে সম্ভব হবে— তা নিয়েই চলছে বিশ্লেষণ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শেখ হাসিনার বৈধ পাসপোর্ট বাতিল করেছে বাংলাদেশ সরকার
- 📌 তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডের আদেশ রয়েছে
- 📌 দেশে ফেরা সম্ভব দুটি পথে: নিজস্ব সিদ্ধান্তে প্রবেশ অথবা প্রত্যর্পণ
- 📌 ট্রাভেল পারমিট সংগ্রহ করে সীমান্ত অতিক্রমের সুযোগ রয়েছে
- 📌 ভারত ও বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাকে হস্তান্তরের সম্ভাবনা রয়েছে
📰 বিস্তারিত
শেখ হাসিনা গত বছরের অগাস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন। তার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা এসেছে ভারতের দিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে। তবে বাংলাদেশ সরকার তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়েছে।
তার প্রত্যাবর্তনের ক্ষেত্রে প্রধান দুটি চ্যালেঞ্জ হলো তার বৈধ পাসপোর্টের অনুপস্থিতি এবং বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ। সাবেক কূটনীতিক এম হুমায়ুন কবীর বলেন, "তিনি তো বাংলাদেশের নাগরিক। নিজ দেশে ফেরত আসতে চাইলে সেটা তার অধিকার। একইসঙ্গে পাসপোর্ট পাওয়াও তার অধিকার।" তিনি আরও বলেন, "তার যদি ভ্যালিড পাসপোর্ট থাকে, তিনি সেটা ব্যবহার করতে পারবেন। না থাকলে তিনি বাংলাদেশ সরকারের কাছে ট্রাভেল পারমিটের জন্য আবেদন করতে পারবেন। সে আবেদনের ভিত্তিতে সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সরকারের সিদ্ধান্ত যদি ইতিবাচক হয় তাহলে তিনি পারমিট নিয়ে বাংলাদেশে আসতে পারেন।"
অন্যদিকে, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়টি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় সম্ভব। তবে এই প্রক্রিয়ার কোনো অগ্রগতি এখনও দেখা যায়নি। জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এলিনা খান বলেন, "উনি কিন্তু অলরেডি ভারত সরকারের তত্ত্বাবধানেই অবস্থান করছেন। এটাকে আমরা জেল কাস্টোডি মনে করছি না। এখানে উনি নিজেই প্রত্যাবর্তনের সদিচ্ছা পোষণ করেছেন যে, উনি আসতে চান। বাংলাদেশ সরকারও বলছে, উনি আসুক, তাকে ফেরত পাঠানো হোক।"
"তিনি তো বাংলাদেশের নাগরিক। নিজ দেশে ফেরত আসতে চাইলে সেটা তার অধিকার। একইসঙ্গে পাসপোর্ট পাওয়াও তার অধিকার।"
"তার যদি ভ্যালিড পাসপোর্ট থাকে, তিনি সেটা ব্যবহার করতে পারবেন। না থাকলে তিনি বাংলাদেশ সরকারের কাছে ট্রাভেল পারমিটের জন্য আবেদন করতে পারবেন। সে আবেদনের ভিত্তিতে সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সরকারের সিদ্ধান্ত যদি ইতিবাচক হয় তাহলে তিনি পারমিট নিয়ে বাংলাদেশে আসতে পারেন।"
"উনি কিন্তু অলরেডি ভারত সরকারের তত্ত্বাবধানেই অবস্থান করছেন। এটাকে আমরা জেল কাস্টোডি মনে করছি না। এখানে উনি নিজেই প্রত্যাবর্তনের সদিচ্ছা পোষণ করেছেন যে, উনি আসতে চান। বাংলাদেশ সরকারও বলছে, উনি আসুক, তাকে ফেরত পাঠানো হোক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ হাসিনা, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, নরেন্দ্র মোদী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ (মিনিট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!