📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১:৫৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শাহ আমানত বিমানবন্দরে ৬৩৫ নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও চুরির ঘটনা অব্যাহত: প্রধানমন্ত্রীর আগমনের পরও নেভিগেশন সরঞ্জাম চুরি

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান
শাহ আমানত বিমানবন্দরে ৬৩৫ নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও চুরির ঘটনা অব্যাহত: প্রধানমন্ত্রীর আগমনের পরও নেভিগেশন সরঞ্জাম চুরি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শাহ আমানত বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনের পরও নেভিগেশন সরঞ্জামসহ ২৫টি ট্রান্সফরমার ও বৈদ্যুতিক তার চুরির ঘটনা ঘটছে। ৬৩৫ নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও চুরির ঘটনা অব্যাহত থাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনের পরও চুরির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। বিমানবন্দরের নেভিগেশন সরঞ্জামসহ ২৫টি ট্রান্সফরমার, বৈদ্যুতিক তার এবং রানওয়ের আলোসংক্রান্ত সরঞ্জাম চুরির ঘটনা ঘটেছে। ৬৩৫ জন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও এই চুরির ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফর উপলক্ষে ৬১টি ল্যাম্পপোস্টের কেব্ল স্থাপন করা হলেও রাতেই চুরি হয়ে যায় ৪০০ ফুট কেব্ল।
  • 📌 গত ১৯ অক্টোবর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত বিমানবন্দরে ২৫টি ট্রান্সফরমার, বৈদ্যুতিক তার এবং রানওয়ের আলোসংক্রান্ত সরঞ্জামসহ ১১টি চুরির ঘটনা ঘটেছে।
  • 📌 ৫০০ ফুট ভূগর্ভস্থ বৈদ্যুতিক কেব্লের মূল্য আনুমানিক ২ লাখ টাকা, যা বিমানবন্দরের নেভিগেশন ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
  • 📌 চুরির ঘটনায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিজিবির হেলিকপ্টার রাখার হ্যাঙ্গারের নিকটবর্তী এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ পেয়েছে।
  • 📌 বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা বাদশা মো. ফয়সাল জানান, একজন চোরকে ধরা পড়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফর উপলক্ষে ১৯ অক্টোবর শাহ আমানত বিমানবন্দরে ৬১টি ল্যাম্পপোস্টের কেব্ল স্থাপন করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে আসার আগেই সেই কেব্ল চুরি হয়ে যায়। বিমানবন্দরের নেভিগেশন ব্যবস্থার কাছে এই ঘটনা প্রশ্ন উঠিয়ে দিয়েছে।

গত ১৯ অক্টোবর রাতে বিমানবন্দরের আবাসিক এলাকার প্রধান প্রবেশপথ জাপানি গেট থেকে ভেরি হাই ফ্রিকোয়েন্সি ওমনি-ডিরেকশনাল রেঞ্জ (ভিওআর) নেভিগেশন স্থাপনার দিকে যাওয়ার সড়ক থেকে প্রায় ৫০০ ফুট ভূগর্ভস্থ বৈদ্যুতিক কেব্ল চুরি হয়। এই কেব্লের মূল্য আনুমানিক ২ লাখ টাকা। ভিওআর বিমানবন্দরের নেভিগেশন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা উড়োজাহাজকে দিকনির্দেশনা প্রদান করে।

গত আগস্ট থেকে বিমানবন্দরে ২৫টি ট্রান্সফরমার, বৈদ্যুতিক তার এবং রানওয়ের আলোসংক্রান্ত সরঞ্জাম চুরির ১১টি ঘটনা ঘটেছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

  • গত ২১ আগস্ট রানওয়ের ০৫ প্রান্ত থেকে একটি ট্রান্সফরমার এবং প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি কেব্ল কিট চুরি হয়।
  • গত ২ সেপ্টেম্বর কার্গো গুদামের পশ্চিম সীমানা থেকে রানওয়ের ০৫ প্রান্তের দিকে প্রায় আধা কিলোমিটার নিরাপত্তাবাতির তার চুরি হয়।
  • গত ৮ সেপ্টেম্বর রানওয়ের ২৩ প্রান্ত থেকে অ্যাপ্রোচ লাইটের দুটি ট্রান্সফরমার এবং প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি কেব্ল কিট চুরি হয়।
  • গত ১০ অক্টোবর রাতে ২৩ প্রান্ত থেকে আরও তিনটি ট্রান্সফরমার ও তার চুরি হয়।

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা বাদশা মো. ফয়সাল জানান, একজন চোরকে ধরা পড়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তিনি দাবি করেন যে, যেসব এলাকায় চুরি হচ্ছে, সেগুলো কম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। তবে চুরির ঘটনাগুলো বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠিয়ে দিয়েছে।

"আমরা চোর ধরতে তৎপর রয়েছি। ইতিমধ্যে একজন চোরকে ধরা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বাদশা মো. ফয়সাল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৩৫ জন নিরাপত্তাকর্মী, ৬১টি ল্যাম্পপোস্ট, ৪০০ ফুট কেব্ল, ২৫টি ট্রান্সফরমার, ২ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖