📌 চার বছর ধরে পাওনা টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে যশোরে দেনাদারের বাড়ির সামনে প্রতীকী অনশনে বসলেন প্রবাসী আল আমিন। সৌদি আরব থেকে ফিরে চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে চরম অর্থকষ্টে ভুগছেন তিনি
চার বছর আগে দোকান কেনার উদ্দেশ্যে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন আল আমিন। কিন্তু দোকানটির মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকায় তা হস্তান্তর করতে পারেননি দেনাদার শাহরিয়ার পলাশ। ফলে টাকা ফেরত না পেয়ে যশোর শহরের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সড়কের ‘রওনক সানফ্লাওয়ার’ টাওয়ারের সামনে প্রতীকী অনশনে বসেছেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আল আমিন নামের প্রবাসী শ্রমিক চার বছর ধরে পাওনা টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে প্রতীকী অনশনে বসেন
- 📌 সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে চরম অর্থকষ্টে ভুগছেন তিনি
- 📌 দোকান কেনার উদ্দেশ্যে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল শাহরিয়ার পলাশকে
- 📌 দোকানটির মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকায় তা হস্তান্তর করা সম্ভব হয়নি বলে দেনাদার দাবি করেন
📰 বিস্তারিত
আল আমিন নামের এক প্রবাসী শ্রমিক চার বছর ধরে পাওনা টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে যশোর শহরের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সড়কের ‘রওনক সানফ্লাওয়ার’ টাওয়ারের সামনে প্রতীকী অনশনে বসেছেন। গতকাল বুধবার বেলা আড়াইটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত তিনি কর্মসূচি পালন করেন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে তিনি প্রতীকী অনশন শুরু করেন। প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করছিলেন।
আল আমিন জানান, তিনি দীর্ঘদিন সৌদি আরবে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। প্রবাসে থাকাকালে মিজানের মাধ্যমে জানতে পারেন, শাহরিয়ার পলাশ নামে এক ব্যক্তি একটি দোকান বিক্রি করবেন। কথা অনুযায়ী দোকানটি কেনার উদ্দেশ্যে চার বছর আগে মিজানের মাধ্যমে শাহরিয়ার পলাশকে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা দেন আল আমিন।
টাকা পরিশোধের পর দোকানটি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার জন্য বারবার তাগাদা দেওয়া হলেও পলাশ নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। পরে আল আমিন খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, যে দোকানটি তাঁর কাছে বিক্রির কথা বলা হয়েছিল, সেটির মালিকানা নিয়ে শরিকদের মধ্যে বিরোধ আছে। পলাশ এককভাবে দোকানটির মালিক নন। বিষয়টি জানার পর আল আমিন টাকা ফেরত চান। কিন্তু টাকা ফেরত না দিয়ে শাহরিয়ার পলাশ বিভিন্ন কৌশলে তাঁকে ঘোরাতে থাকেন।
"সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার পর আমি ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়ি। চিকিৎসা খরচ চালাতে গিয়ে বর্তমানে চরম অর্থকষ্টে ভুগছি। পাওনা টাকা ফেরত পেতে বারবার যোগাযোগ করেও কোনো কাজ হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে দেনাদারের দৃষ্টি আকর্ষণ ও পাওনা আদায়ের লক্ষ্যে অনশনে বসেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যশোর শহরের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সড়ক এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আল আমিন, শাহরিয়ার পলাশ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!