📌 সাতক্ষীরার সদর উপজেলা ও পৌর এলাকার অন্তত সাতটি নিম্নাঞ্চলে এক মাস ধরে জলাবদ্ধতা বিরাজ করছে। প্রায় তিন হাজার পরিবারের পাঁচ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অপরিকল্পিত ঘের নির্মাণ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবে দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে এই সংকট
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ও এর আশপাশের সাতটি এলাকায় এক মাস ধরে জলাবদ্ধতা বিরাজ করছে। প্রায় তিন হাজার পরিবারের অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন। অপরিকল্পিত চিংড়ির ঘের নির্মাণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার অকার্যকরতা এবং প্রাকৃতিক পানিনিষ্কাশন পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে এই সংকট।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ও পৌর এলাকার সাতটি এলাকায় এক মাস ধরে জলাবদ্ধতা বিরাজ করছে
- 📌 প্রায় তিন হাজার পরিবারের অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন
- 📌 গত জুলাই মাসের শুরু থেকে জেলায় মোট ৮৩১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে
- 📌 অপরিকল্পিত ঘের নির্মাণ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার অকার্যকরতার কারণে দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে সংকট
- 📌 স্থানীয় সংসদ সদস্য আবদুল খালেক জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রশাসনিক সহযোগিতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ও এর আশপাশের এলাকায় এক মাস ধরে জলাবদ্ধতা বিরাজ করছে। প্রায় তিন হাজার পরিবারের অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন। ভুক্তভোগী বাসিন্দারা জানান, পৌর এলাকার কামালনগর, ইটাগাছা, পলাশপোল, মেহেদীবাগ, রসুলপুর, রইচপুর ও মধ্য কাটিয়া এলাকার নিম্নাঞ্চল এবং সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের শৈলকের বিল-সংলগ্ন এলাকা দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধ হয়ে রয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব আলীনুর খান বলেন, প্রায় তিন হাজার পরিবারের অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন। তিনি জানান, পানিনিষ্কাশনের প্রাকৃতিক পথ ফিরিয়ে আনা ও কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা ছাড়া এই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।
গত জুলাই মাসের শুরু থেকে জেলায় মোট ৮৩১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জুলফিকার আলী জানান, গত ১ জুলাই থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত জেলায় ৪৪৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮ জুলাই এক দিনেই সর্বোচ্চ ১৭৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অপরিকল্পিতভাবে চিংড়ির ঘের তৈরি করার কারণে পানি চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়া, কালভার্ট ও স্লুইসগেটের সমস্যা এবং নালা ভরাট হয়ে যাওয়ায় জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে। আগে সারা দিন বৃষ্টি হলেও আধা ঘণ্টায় পানি বেতনা নদীতে নেমে যেত। এখন সামান্য বৃষ্টিতেই পানি আটকে থাকে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য আবদুল খালেক জানান, জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহযোগিতা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, অনেক জায়গায় নিজেদের জমিতে ঘের বা বাঁধ দিয়ে পানিনিষ্কাশনের পথ বন্ধ করা হচ্ছে। একজন মানুষের জন্য শত মানুষকে কষ্ট পেতে দেওয়া যায় না।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ও পৌর এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলীনুর খান, মো. জুলফিকার আলী, আবদুল খালেক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ হাজার পরিবার, ৫ হাজার মানুষ, ৮৩১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!