📌 প্রশান্ত ভার্মা সিনেমাটিক ইউনিভার্সের নতুন চলচ্চিত্র ‘মহাকালী’র প্রথম টিজার প্রকাশ্যে এসেছে। এতে অক্ষয় খান্না শুক্রাচার্যের ভূমিকায় এবং শ্রীয়া রেড্ডি দেবী দুর্গার চরিত্রে অভিনয় করেছেন। টিজারে অসুরদের উত্থান ও মানবজাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে
প্রশান্ত ভার্মা সিনেমাটিক ইউনিভার্সের নতুন চলচ্চিত্র ‘মহাকালী’র প্রথম টিজার প্রকাশ্যে এসেছে। প্রায় তিন মিনিটের এই টিজারে অসুরদের গুরু শুক্রাচার্যের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অক্ষয় খান্না। অন্যদিকে দেবী দুর্গার চরিত্রে দেখা গেছে শ্রীয়া রেড্ডিকে। টিজারে ধর্ম ও অধর্মের সংঘাতের ইঙ্গিত দিয়ে অসুরদের উত্থান ও মানবজাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধের ভয়াবহ পরিণতির আভাস দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ‘মহাকালী’ চলচ্চিত্রের প্রথম টিজার প্রকাশ্যে এসেছে প্রায় তিন মিনিটের দৈর্ঘ্যে
- 📌 শুক্রাচার্যের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অক্ষয় খান্না, দেবী দুর্গার ভূমিকায় শ্রীয়া রেড্ডি
- 📌 টিজারে অসুরদের উত্থান ও মানবজাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে
- 📌 মহাসমুদ্র মন্থনের প্রসঙ্গ তুলে প্রশ্ন করা হয়েছে দেবতা ও অসুরদের প্রতি বৈষম্যের
- 📌 আগামী ১৪ দিনের মধ্যে অসুরদের বিজয়ী গর্জনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে টিজারে
- 📌 চলচ্চিত্রটি আগামী বছরের ৮ জানুয়ারি একাধিক ভাষায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে
📰 বিস্তারিত
প্রশান্ত ভার্মা সিনেমাটিক ইউনিভার্সের নতুন চলচ্চিত্র ‘মহাকালী’র প্রথম টিজার প্রকাশ্যে এসেছে। প্রায় তিন মিনিটের এই টিজারে অসুরদের গুরু শুক্রাচার্যের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অক্ষয় খান্না। তাঁর চরিত্রটি তুলে ধরা হয়েছে লম্বা রুপালি-সাদা দাড়ি, জট বাঁধা চুল ও তীক্ষ্ণ চোখের মাধ্যমে। অন্যদিকে দেবী দুর্গার চরিত্রে দেখা গেছে শ্রীয়া রেড্ডিকে। তাঁর দৃঢ় ও ভয়ংকর উপস্থিতি গল্পের পৌরাণিক আবহকে আরও জোরালো করেছে। বিশেষ করে একটি শিশুকে কোলে নিয়ে স্তন্যপান করানোর দৃশ্যটি দর্শকদের দৃষ্টি কেড়েছে।
টিজারের শুরুতে মহাসমুদ্র মন্থনের প্রসঙ্গ তুলে প্রশ্ন করা হয়, দেবতা ও অসুররা একসঙ্গে সমুদ্র মন্থন করলেও ভগবান বিষ্ণু কেন অমরত্বের অমৃত শুধু দেবতাদের দিয়েছিলেন। অসুরদের ইন্দ্রের সিংহাসনের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে পাতাললোকে নির্বাসিত করা এবং চৌদ্দটি লোক তাদের জন্য বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনাকেও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্নের মুখে ফেলা হয়েছে। এরপর টিজারে আরও ভয়ংকর যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়। বলা হয়, আগামী ১৪ দিনের মধ্যে অসুরদের বিজয়ী গর্জন প্রতিটি লোকে প্রতিধ্বনিত হবে এবং অসুর জাতি মুক্তি পাবে। সবশেষে শোনা যায় ভয়ংকর নির্দেশ, ‘রক্তবীজ… মানবজাতিকে নিশ্চিহ্ন করো!’
"রক্তবীজ… মানবজাতিকে নিশ্চিহ্ন করো!"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: প্রকাশ্যে আসে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অক্ষয় খান্না, শ্রীয়া রেড্ডি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ (মিনিট), ১৪ (দিন), ৮ (জানুয়ারি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!